জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির অধীনে বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ এক্স-রে ক্যাম্পের মাধ্যমে রোগীকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। যক্ষ্মা রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
রোববার সকাল থেকে দুপুর পযন্ত বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে জেলা সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তার নির্দেশে আইসিডিডিআরবি এর কর্মকর্তা সাগর আহম্মেদ, সাইফুদ্দিন ইসলাম এই এক্স-রে ক্যাম্প পরিচালনা করেন।
আগত রোগীদের বিনামূল্যে ১১৪ জন রোগীকে এক্স-রে পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে ফ্যাসিলিটি অ্যান্ড কমিউনিটি-বেইজড সার্ভিস ডেলিভারি সাপোর্ট প্রজেক্ট।
এ ধরনের উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষ সহজে স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি যক্ষ্মা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করণেও এ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এক্স-রে ক্যাম্পের পাশাপাশি সান্তাহার ২০ শয্যা হাসপাতালে বহির্বিভাগে ২৬৫ জন রোগীকে ফ্রী চিকিৎসা সেবা প্রদান ও ওষুধ প্রদান করেন হাসপাতালে ইনচার্জ ফার্মাসিস্ট একলিমুর হোসেন দোয়েল।
তার চিকিৎসার কাজে সহযোগিতা করেন ফরিদা খাতুন। চিকিৎসা নিতে আসা সান্তাহার পৌর শহরের রথবাড়ীর মহল্লার বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমান তুফান বলেন, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের বিনামূল্যের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের মধ্যে রোগ শনাক্ত করণ ও চিকিৎসা গ্রহণের আগ্রহ আরও বাড়বে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির অধীনে বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ এক্স-রে ক্যাম্পের মাধ্যমে রোগীকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। যক্ষ্মা রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
রোববার সকাল থেকে দুপুর পযন্ত বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে জেলা সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তার নির্দেশে আইসিডিডিআরবি এর কর্মকর্তা সাগর আহম্মেদ, সাইফুদ্দিন ইসলাম এই এক্স-রে ক্যাম্প পরিচালনা করেন।
আগত রোগীদের বিনামূল্যে ১১৪ জন রোগীকে এক্স-রে পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে ফ্যাসিলিটি অ্যান্ড কমিউনিটি-বেইজড সার্ভিস ডেলিভারি সাপোর্ট প্রজেক্ট।
এ ধরনের উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষ সহজে স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি যক্ষ্মা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করণেও এ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এক্স-রে ক্যাম্পের পাশাপাশি সান্তাহার ২০ শয্যা হাসপাতালে বহির্বিভাগে ২৬৫ জন রোগীকে ফ্রী চিকিৎসা সেবা প্রদান ও ওষুধ প্রদান করেন হাসপাতালে ইনচার্জ ফার্মাসিস্ট একলিমুর হোসেন দোয়েল।
তার চিকিৎসার কাজে সহযোগিতা করেন ফরিদা খাতুন। চিকিৎসা নিতে আসা সান্তাহার পৌর শহরের রথবাড়ীর মহল্লার বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমান তুফান বলেন, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের বিনামূল্যের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের মধ্যে রোগ শনাক্ত করণ ও চিকিৎসা গ্রহণের আগ্রহ আরও বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন