জয়পুরহাট    শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

প্রভাবশালী ব্যাক্তি জড়িত থাকুক

ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যার বিচার হবে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল



ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যার বিচার হবে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল
ছবি : প্রতিনিধি

ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন বিচার হবেই। বাংলাদেশের মাটিতেই শাকিল হত্যার বিচার করা হবে। 

হত্যাকারীদের এভাবে ছাড় দেওয়া যায়। এভাবেই নিহত শাকিলের পরিবারকে বিচারের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন সমাজ কল্যান প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর শহরের খামারনাচকৈড় খোয়ারপাড়া মহল্লায় ছাত্রদল নেতা শাকিলের বাড়িতে এসে শোকন্তপ্ত পরিবারকে এভাবেই সমবেদনা জানান তিনি।

তিনি বলেন, 'শাকিল খুন হয়ে আমাদের বুকের মধ্যে বিচার নামের অনেক বড় একটা বোঝা রেখে গেছে। আমরা যতদিন পর্যন্ত এর বিচার করতে না পারবো, ততদিন পর্যন্ত আমাদের এই বোঝাটা যাবে না।'

পুতুল বলেন, 'অনেকে বলার চেষ্টা করছে শাকিল নিজেই অনেক ধরণের অপকর্মের সাথে জড়িত ছিল, থাকতে পারে। তাই বলে কেউ কাউকে মেরে ফেলার অধিকার পায় না। 

সে যদি অপকর্মের সাথে জড়িত থাকতো, তাহলে সেটা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আছে, আপনারা বিচার দিতে পারতেন। কিন্তু এরকম একটা ছেলেকে আপনারা কুপিয়ে মেরে ফেলবেন এবং বাংলাদেশে বারংবারই এমন ঘটনা ঘটতে থাকবে, আমরা সেটা হতে দেব না।'

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্যমতে, শাকিলকে খুবই আহত করার পর মামলাটির তদন্ত নিয়ে পুলিশ গাফিলতি করছে। পুলিশ তখনই যদি শাকিলের বক্তব্য গ্রহণ করতো, তাহলে আরো দ্রুত গতিতে অনেক কিছু জানা যেত। তাছাড়া মামলার এজাহারে বাদী যে নামটা দিয়েছে, সেই নাম বাদ দিয়ে অজ্ঞাতনামা করে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, 'বাদী নাম দিয়েছে, আপনি মামলা করতে পাবেন না, দিস ইজ ইললিগ্যাল, এটা আপনারা করতে পারেন না। আমি পুলিশের সঙ্গে রাগারাগিও করেছি।'

এ বিষয়ে শাকিলের পিতা রবিউল ইসলাম বলেন, ১৪ অক্টোবর তার ছেলেকে কুপিয়ে গুরুতর যখম করে দুর্বৃত্তরা। 

১৯ অক্টোবর তিনি গুরুদাসপুর থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। সেসময় এমপি আবদুল আজিজের নির্দেশেই আমেরিকা প্রবাসী রাসেলের নাম মামলার এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। আবার এমপির নির্দেশেই রাসেলের নামটি কেটে দেওয়া হয়। 

গত সোমবার পর্যন্ত পুলিশ কোন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তার ধারণা এমপির ছেলে মিন্টুর সঙ্গে আমেরিকা প্রবাসী রাসেলও তার ছেলে হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত।

প্রতিমন্ত্রী ফারজানা বলেন, 'আমরা সবাই চেষ্টা করেছি শাকিল বেঁচে থাকুক। কিন্তু অনেকে চেয়েছে শাকিল না থাকুক। কারণ শাকিল বেচে থাকলে হয়তো অপরাধীদের নামগুলো আরও দ্রুত চলে আসতো। 

এরআগে গুরুদাসপুরে বিএনপি নেতা মবিদুল ও বড়াইগ্রামের বনপাড়ায় সানাউল্লাহ নুর বাবুকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হলেও এখন পর্যন্ত কোন বিচার হয়নি। কিন্তু শাকিল হত্যার বিচারের ক্ষেত্রে এমন হবে না। অব্যশই বিচার করা হবে। 

কিন্তু হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটাকে অন্যদিকে ঘোরানোর জন্য কেউ যেন অন্য ধরণের কোনো ষড়যন্ত করতে না পারে। যেমন জানাজার পর একটি ঘটনা ঘটেছে, কিছু জায়গা ভাঙচুর করা হয়েছে—এগুলো যেন কেউ না করে, আমি আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি। 

সে যেই হোক না কেন, অপরাধী অপরাধীই। তার কোনো দল নেই, তার কোনো দেশ নেই, তার কোনো কিছু নেই। অপরাধী মানে অপরাধী, ইনশাল্লাহ তার সাজা হবে। আমরা যেন বিচারটা করে ওর বাবা-মাকে অন্তত মুখ দেখাতে পারি যে, আমরা এটা করতে পেরেছি।'

এর আগে প্রতিমন্ত্রী নিহত ছাত্রদল নেতা শাকিলের  কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, সহ-সভাপতি নিজামুদ্দিন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম জিষান। কবর জিয়ারত শেষে নিহতের পরিবারে সদস্যদের সমবেদনা জানানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানাগেছে, ১৪ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে গুরুদাসপুর পৌর শহরের চাঁচকৈড় বাজারপাড়া এলাকায় হেলমেট পরা সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম। 

এ সময় শাকিলকে কুপিয়ে জখম করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান হামলাকারীরা। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সাবেক পিজি হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় ১৯ অক্টোবর থানায় মামলা দায়ের করেন শাকিলের বাবা রবিউল ইসলাম। 

শাকিলের পরিবারিক সূত্র জানিয়েছে, হাসপাতালে  ১২ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি মারা যান। ওই দিন রাত ১০ টার দিকে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে আটক করে পুলিশ। 

পরদিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে মিন্টুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতে হাজির করা হলে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড দেন। একইসঙ্গে মিন্টুকে যুবদলের যুগ্ম সম্পাদকের পদ থেকেও বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় যুবদল। শাকিল হত্যাকাণ্ডে মিন্টুর সঙ্গে রাসেলেরও সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে এমন সন্দেহে জানাজায় অংশ নেওয়া উৎসুক জনতা দোকানপাট ভাঙচুর করেন।

এদিকে ওই জানাজায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে জনরোষে পড়েন এমপি আব্দুল আজিজও। এরপর বুধবার সকাল থেকে ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যার মামলায় ছেলে মিন্টুর সম্পৃক্ততার মধ্যেই আবার এমপি আব্দুল আজিজের অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এই ভিডিওতে তাকে অশ্লীল যৌন অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা গেছে। 

এমপি আবদুল আজিজ বলেন, তার এবং তার সন্তানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সবই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহির প্রকাশ।#মো.রাশিদুল ইসলাম

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬


ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যার বিচার হবে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল

প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন বিচার হবেই। বাংলাদেশের মাটিতেই শাকিল হত্যার বিচার করা হবে। 

হত্যাকারীদের এভাবে ছাড় দেওয়া যায়। এভাবেই নিহত শাকিলের পরিবারকে বিচারের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন সমাজ কল্যান প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর শহরের খামারনাচকৈড় খোয়ারপাড়া মহল্লায় ছাত্রদল নেতা শাকিলের বাড়িতে এসে শোকন্তপ্ত পরিবারকে এভাবেই সমবেদনা জানান তিনি।

তিনি বলেন, 'শাকিল খুন হয়ে আমাদের বুকের মধ্যে বিচার নামের অনেক বড় একটা বোঝা রেখে গেছে। আমরা যতদিন পর্যন্ত এর বিচার করতে না পারবো, ততদিন পর্যন্ত আমাদের এই বোঝাটা যাবে না।'

পুতুল বলেন, 'অনেকে বলার চেষ্টা করছে শাকিল নিজেই অনেক ধরণের অপকর্মের সাথে জড়িত ছিল, থাকতে পারে। তাই বলে কেউ কাউকে মেরে ফেলার অধিকার পায় না। 

সে যদি অপকর্মের সাথে জড়িত থাকতো, তাহলে সেটা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আছে, আপনারা বিচার দিতে পারতেন। কিন্তু এরকম একটা ছেলেকে আপনারা কুপিয়ে মেরে ফেলবেন এবং বাংলাদেশে বারংবারই এমন ঘটনা ঘটতে থাকবে, আমরা সেটা হতে দেব না।'

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্যমতে, শাকিলকে খুবই আহত করার পর মামলাটির তদন্ত নিয়ে পুলিশ গাফিলতি করছে। পুলিশ তখনই যদি শাকিলের বক্তব্য গ্রহণ করতো, তাহলে আরো দ্রুত গতিতে অনেক কিছু জানা যেত। তাছাড়া মামলার এজাহারে বাদী যে নামটা দিয়েছে, সেই নাম বাদ দিয়ে অজ্ঞাতনামা করে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, 'বাদী নাম দিয়েছে, আপনি মামলা করতে পাবেন না, দিস ইজ ইললিগ্যাল, এটা আপনারা করতে পারেন না। আমি পুলিশের সঙ্গে রাগারাগিও করেছি।'

এ বিষয়ে শাকিলের পিতা রবিউল ইসলাম বলেন, ১৪ অক্টোবর তার ছেলেকে কুপিয়ে গুরুতর যখম করে দুর্বৃত্তরা। 

১৯ অক্টোবর তিনি গুরুদাসপুর থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। সেসময় এমপি আবদুল আজিজের নির্দেশেই আমেরিকা প্রবাসী রাসেলের নাম মামলার এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। আবার এমপির নির্দেশেই রাসেলের নামটি কেটে দেওয়া হয়। 

গত সোমবার পর্যন্ত পুলিশ কোন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তার ধারণা এমপির ছেলে মিন্টুর সঙ্গে আমেরিকা প্রবাসী রাসেলও তার ছেলে হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত।

প্রতিমন্ত্রী ফারজানা বলেন, 'আমরা সবাই চেষ্টা করেছি শাকিল বেঁচে থাকুক। কিন্তু অনেকে চেয়েছে শাকিল না থাকুক। কারণ শাকিল বেচে থাকলে হয়তো অপরাধীদের নামগুলো আরও দ্রুত চলে আসতো। 

এরআগে গুরুদাসপুরে বিএনপি নেতা মবিদুল ও বড়াইগ্রামের বনপাড়ায় সানাউল্লাহ নুর বাবুকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হলেও এখন পর্যন্ত কোন বিচার হয়নি। কিন্তু শাকিল হত্যার বিচারের ক্ষেত্রে এমন হবে না। অব্যশই বিচার করা হবে। 

কিন্তু হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটাকে অন্যদিকে ঘোরানোর জন্য কেউ যেন অন্য ধরণের কোনো ষড়যন্ত করতে না পারে। যেমন জানাজার পর একটি ঘটনা ঘটেছে, কিছু জায়গা ভাঙচুর করা হয়েছে—এগুলো যেন কেউ না করে, আমি আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি। 

সে যেই হোক না কেন, অপরাধী অপরাধীই। তার কোনো দল নেই, তার কোনো দেশ নেই, তার কোনো কিছু নেই। অপরাধী মানে অপরাধী, ইনশাল্লাহ তার সাজা হবে। আমরা যেন বিচারটা করে ওর বাবা-মাকে অন্তত মুখ দেখাতে পারি যে, আমরা এটা করতে পেরেছি।'

এর আগে প্রতিমন্ত্রী নিহত ছাত্রদল নেতা শাকিলের  কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, সহ-সভাপতি নিজামুদ্দিন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম জিষান। কবর জিয়ারত শেষে নিহতের পরিবারে সদস্যদের সমবেদনা জানানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানাগেছে, ১৪ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে গুরুদাসপুর পৌর শহরের চাঁচকৈড় বাজারপাড়া এলাকায় হেলমেট পরা সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম। 

এ সময় শাকিলকে কুপিয়ে জখম করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান হামলাকারীরা। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সাবেক পিজি হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় ১৯ অক্টোবর থানায় মামলা দায়ের করেন শাকিলের বাবা রবিউল ইসলাম। 

শাকিলের পরিবারিক সূত্র জানিয়েছে, হাসপাতালে  ১২ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি মারা যান। ওই দিন রাত ১০ টার দিকে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে আটক করে পুলিশ। 

পরদিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে মিন্টুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতে হাজির করা হলে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড দেন। একইসঙ্গে মিন্টুকে যুবদলের যুগ্ম সম্পাদকের পদ থেকেও বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় যুবদল। শাকিল হত্যাকাণ্ডে মিন্টুর সঙ্গে রাসেলেরও সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে এমন সন্দেহে জানাজায় অংশ নেওয়া উৎসুক জনতা দোকানপাট ভাঙচুর করেন।

এদিকে ওই জানাজায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে জনরোষে পড়েন এমপি আব্দুল আজিজও। এরপর বুধবার সকাল থেকে ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যার মামলায় ছেলে মিন্টুর সম্পৃক্ততার মধ্যেই আবার এমপি আব্দুল আজিজের অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এই ভিডিওতে তাকে অশ্লীল যৌন অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা গেছে। 

এমপি আবদুল আজিজ বলেন, তার এবং তার সন্তানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সবই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহির প্রকাশ।#মো.রাশিদুল ইসলাম


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত