বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। দুটি সরকারি কলেজসহ অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল খারাপ হলেও ব্যতিক্রমী সাফল্য অর্জন করেছে বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
উপজেলায় এইচএসসিতে ১ হাজার ৩৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫২৩ জন। গড় পাসের হার ৩৭.৯৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন। এর বিপরীতে বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২২১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ২১৮ জন। পাসের হার ৯৮.৬৪ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন।
অন্যদিকে, সরকারি শাহ্ এয়তেবাড়িয়া কলেজে পাসের হার ২২.৭৫ শতাংশ, সরকারি শহীদ এম. মনসুর আলী ডিগ্রি কলেজে ১৫.২৫ শতাংশ, দুপচাঁচিয়া জে.কে কলেজে ১০.৩১ শতাংশ এবং মহিলা কলেজে ৪৯.২৭ শতাংশ।
এদিকে আলিম পরীক্ষায় উপজেলার ১০টি মাদ্রাসা থেকে ২৪৮ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ১২৫ জন। গড় পাসের হার ৫০.৪১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে চারজন, সবাই দুপচাঁচিয়া দারুস সুন্নাহ কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৬১.২৬ শতাংশ।
একই উপজেলায় একটি প্রতিষ্ঠানের ঈর্ষণীয় সাফল্যের বিপরীতে অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমন ফলাফল শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান, পাঠদানের মানোন্নয়ন ও সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন সচেতন মহল।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। দুটি সরকারি কলেজসহ অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল খারাপ হলেও ব্যতিক্রমী সাফল্য অর্জন করেছে বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
উপজেলায় এইচএসসিতে ১ হাজার ৩৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫২৩ জন। গড় পাসের হার ৩৭.৯৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন। এর বিপরীতে বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২২১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ২১৮ জন। পাসের হার ৯৮.৬৪ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন।
অন্যদিকে, সরকারি শাহ্ এয়তেবাড়িয়া কলেজে পাসের হার ২২.৭৫ শতাংশ, সরকারি শহীদ এম. মনসুর আলী ডিগ্রি কলেজে ১৫.২৫ শতাংশ, দুপচাঁচিয়া জে.কে কলেজে ১০.৩১ শতাংশ এবং মহিলা কলেজে ৪৯.২৭ শতাংশ।
এদিকে আলিম পরীক্ষায় উপজেলার ১০টি মাদ্রাসা থেকে ২৪৮ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ১২৫ জন। গড় পাসের হার ৫০.৪১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে চারজন, সবাই দুপচাঁচিয়া দারুস সুন্নাহ কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৬১.২৬ শতাংশ।
একই উপজেলায় একটি প্রতিষ্ঠানের ঈর্ষণীয় সাফল্যের বিপরীতে অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমন ফলাফল শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান, পাঠদানের মানোন্নয়ন ও সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন