চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় ফলাফলে পিছিয়ে থাকলেও হাজীগঞ্জে বিএম ও আলিম পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফলাফল অর্জন করেছে শিক্ষার্থীরা। বিএম পরীক্ষায় পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
অন্যদিকে, আলিম পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৬টি জিপিএ-৫ অর্জন করে উপজেলায় সেরা হয়েছে হাজীগঞ্জ দারুল উলুম আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসা। শনিবার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিএম পরীক্ষায় হাজীগঞ্জ উপজেলার ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৫৪৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪১২ জন। পাসের হার ৭৫.৮৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন।
বিএম পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পাসের হারে প্রথম স্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১০৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৯৪ জন। পাসের হার ৮৯.৫২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৬৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৫ জন। পাসের হার ৮৪.৬১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। বলাখাল জেএন উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কারিগরি কলেজ থেকে ১০৯ জনের মধ্যে পাস করেছে ৮৯ জন। পাসের হার ৮১.৬৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
এছাড়া হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল কলেজ থেকে ১৯৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৪৪ জন। পাসের হার ৭৪.২৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। হাজীগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৭০ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩০ জন। পাসের হার ৪২.৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
অন্যদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় উপজেলার ১৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে পাস করেছে ৩১০ জন। পাসের হার ৮২.০১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন। এ বছর উপজেলার ৩টি মাদ্রাসা শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে।
আলিম পরীক্ষায় সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করেছে হাজীগঞ্জ দারুল উলুম আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১০৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৮৬ জন। পাসের হার ৮৩.৫০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন।
নেছারাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এছাড়া বাকিলা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ১৮ জন এবং সাদ্রা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ২০ জন পরীক্ষার্থী শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে।
রাজারগাঁও ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৭ জন। পাসের হার ৭৭.১৪ শতাংশ। রামচন্দ্রপুর ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১৬ জনের মধ্যে ১৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮৭.৫০ শতাংশ। সুহিলপুর এবিএস ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৪ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৩ জন। পাসের হার ৫৪.১৭ শতাংশ।
ছালেহ আবাদ এমএন ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৮ জনের মধ্যে ২৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। বেলচোঁ কারিমাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩০ জনের মধ্যে ২৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৭৬.৬৭ শতাংশ।
নওহাটা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩০ জনের মধ্যে ২১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭০ শতাংশ। কাপাইকাপ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ২৩ জনের মধ্যে ১৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮২.৬০ শতাংশ।
বলাখাল এনএমএন আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৮ জনের মধ্যে ১৬ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮৮.৮৯ শতাংশ। কাকৈরতলা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬ জন। পাসের হার ৭২.৭৩ শতাংশ।
বিএম ও আলিম পরীক্ষায় এ সাফল্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় ফলাফলে পিছিয়ে থাকলেও হাজীগঞ্জে বিএম ও আলিম পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফলাফল অর্জন করেছে শিক্ষার্থীরা। বিএম পরীক্ষায় পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
অন্যদিকে, আলিম পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৬টি জিপিএ-৫ অর্জন করে উপজেলায় সেরা হয়েছে হাজীগঞ্জ দারুল উলুম আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসা। শনিবার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিএম পরীক্ষায় হাজীগঞ্জ উপজেলার ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৫৪৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪১২ জন। পাসের হার ৭৫.৮৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন।
বিএম পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পাসের হারে প্রথম স্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১০৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৯৪ জন। পাসের হার ৮৯.৫২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৬৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৫ জন। পাসের হার ৮৪.৬১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। বলাখাল জেএন উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কারিগরি কলেজ থেকে ১০৯ জনের মধ্যে পাস করেছে ৮৯ জন। পাসের হার ৮১.৬৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
এছাড়া হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল কলেজ থেকে ১৯৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৪৪ জন। পাসের হার ৭৪.২৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। হাজীগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৭০ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩০ জন। পাসের হার ৪২.৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
অন্যদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় উপজেলার ১৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে পাস করেছে ৩১০ জন। পাসের হার ৮২.০১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন। এ বছর উপজেলার ৩টি মাদ্রাসা শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে।
আলিম পরীক্ষায় সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করেছে হাজীগঞ্জ দারুল উলুম আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১০৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৮৬ জন। পাসের হার ৮৩.৫০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন।
নেছারাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এছাড়া বাকিলা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ১৮ জন এবং সাদ্রা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ২০ জন পরীক্ষার্থী শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে।
রাজারগাঁও ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৭ জন। পাসের হার ৭৭.১৪ শতাংশ। রামচন্দ্রপুর ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১৬ জনের মধ্যে ১৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮৭.৫০ শতাংশ। সুহিলপুর এবিএস ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৪ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৩ জন। পাসের হার ৫৪.১৭ শতাংশ।
ছালেহ আবাদ এমএন ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৮ জনের মধ্যে ২৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। বেলচোঁ কারিমাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩০ জনের মধ্যে ২৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৭৬.৬৭ শতাংশ।
নওহাটা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩০ জনের মধ্যে ২১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭০ শতাংশ। কাপাইকাপ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ২৩ জনের মধ্যে ১৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮২.৬০ শতাংশ।
বলাখাল এনএমএন আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৮ জনের মধ্যে ১৬ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮৮.৮৯ শতাংশ। কাকৈরতলা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬ জন। পাসের হার ৭২.৭৩ শতাংশ।
বিএম ও আলিম পরীক্ষায় এ সাফল্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন