রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পদ্মা নদী হতে জব্দকৃত ২ লক্ষ ৫০ হাজার বর্গমিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১ টা সময় দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল আগুনে পোড়ানো হয়।
নৌ পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দিনব্যাপী পদ্মা নদীতে নৌপুলিশের অভিযান চলছিলো। সেসময় জেলেরা নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরছিল। জেলেরা নৌ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল নদীতে রেখে পালিয়ে। পরে নৌপুলিশ নদী থেকে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাহিদুর রহমানের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করে।
দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা বলেন, কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। পদ্মা নদী হতে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, নদীতে আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এব্যাপারে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাহিদুর রহমান বলেন, নদীতে অবৈধ কারেন্টে জাল দিয়ে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ । পাশাপাশি নদীতে বিলুপ্ত প্রায় বাঘাইড়, ঢাই মাছ ধরা যাবে না। দৌলতদিয়া মৎস্য আড়ৎদারদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, যে মাছগুলো ধরা ও বিক্রি করা নিষেধ সেগুলো হতে সকলকে বিরত থাকতে হবে।
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন পিএসএস

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পদ্মা নদী হতে জব্দকৃত ২ লক্ষ ৫০ হাজার বর্গমিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১ টা সময় দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল আগুনে পোড়ানো হয়।
নৌ পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দিনব্যাপী পদ্মা নদীতে নৌপুলিশের অভিযান চলছিলো। সেসময় জেলেরা নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরছিল। জেলেরা নৌ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল নদীতে রেখে পালিয়ে। পরে নৌপুলিশ নদী থেকে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাহিদুর রহমানের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করে।
দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা বলেন, কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। পদ্মা নদী হতে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, নদীতে আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এব্যাপারে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাহিদুর রহমান বলেন, নদীতে অবৈধ কারেন্টে জাল দিয়ে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ । পাশাপাশি নদীতে বিলুপ্ত প্রায় বাঘাইড়, ঢাই মাছ ধরা যাবে না। দৌলতদিয়া মৎস্য আড়ৎদারদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, যে মাছগুলো ধরা ও বিক্রি করা নিষেধ সেগুলো হতে সকলকে বিরত থাকতে হবে।
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন পিএসএস

আপনার মতামত লিখুন