চীনে পাচারের শিকার হয়ে দেশে ফিরে এসেছেন হেলেনা (ছদ্মনাম) নামে এক তরুণী। দেশে ফিরে তিনি যুগান্তরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, তাকে এবং তার বান্ধবীকে মোট এক কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল।
হেলেনা বলেন, চীনে গিয়ে বুঝতে পারি আমরা প্রতারণার শিকার হয়েছি। যখন দেশে ফেরার অনুরোধ জানাই, তখন জানানো হয়— “তোমাদের ৫০ লাখ টাকা করে, মোট এক কোটি টাকায় কেনা হয়েছে।”
তিনি জানান, প্রতারণার শুরু হয় ফেসবুকের মাধ্যমে। সিলভী নামের এক নারীর সঙ্গে তার ফেসবুকে পরিচয় হয়। পরে জানতে পারেন, সিলভীর স্বামী একজন চীনা নাগরিক। এই দম্পতিই চীনে নারী পাচারের সঙ্গে জড়িত একটি চক্র পরিচালনা করে আসছে।
হেলেনা বলেন, “আমি দেশে একটি বিউটি পার্লারে কাজ করতাম। সিলভী আমাকে বলেছিল, চীনে বিউটি পার্লারের কাজের খুব চাহিদা আছে। সেখানে গেলে ভালো বেতনের চাকরি দিতে পারবে। তার কথায় বিশ্বাস করেই আমি রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বুঝলাম, সেটি ছিল প্রতারণা।”
তিনি আরও বলেন, চক্রটি গত ১৪ বছর ধরে চীনে নারী পাচার করছে। দেশে ফিরে আসার পর সিলভী ও তার সহযোগীরা আবারও তার ওপর চাপ দিচ্ছে— চারজন নতুন মেয়েকে চীনে পাঠানোর জন্য। “তাদের ভিসা করা হয়ে গেছে, টিকিটও কাটা হয়েছে। কিন্তু আমি চাই না, আমার মতো আর কোনো মেয়ের জীবন ধ্বংস হোক,” বলেন হেলেনা।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫
চীনে পাচারের শিকার হয়ে দেশে ফিরে এসেছেন হেলেনা (ছদ্মনাম) নামে এক তরুণী। দেশে ফিরে তিনি যুগান্তরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, তাকে এবং তার বান্ধবীকে মোট এক কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল।
হেলেনা বলেন, চীনে গিয়ে বুঝতে পারি আমরা প্রতারণার শিকার হয়েছি। যখন দেশে ফেরার অনুরোধ জানাই, তখন জানানো হয়— “তোমাদের ৫০ লাখ টাকা করে, মোট এক কোটি টাকায় কেনা হয়েছে।”
তিনি জানান, প্রতারণার শুরু হয় ফেসবুকের মাধ্যমে। সিলভী নামের এক নারীর সঙ্গে তার ফেসবুকে পরিচয় হয়। পরে জানতে পারেন, সিলভীর স্বামী একজন চীনা নাগরিক। এই দম্পতিই চীনে নারী পাচারের সঙ্গে জড়িত একটি চক্র পরিচালনা করে আসছে।
হেলেনা বলেন, “আমি দেশে একটি বিউটি পার্লারে কাজ করতাম। সিলভী আমাকে বলেছিল, চীনে বিউটি পার্লারের কাজের খুব চাহিদা আছে। সেখানে গেলে ভালো বেতনের চাকরি দিতে পারবে। তার কথায় বিশ্বাস করেই আমি রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বুঝলাম, সেটি ছিল প্রতারণা।”
তিনি আরও বলেন, চক্রটি গত ১৪ বছর ধরে চীনে নারী পাচার করছে। দেশে ফিরে আসার পর সিলভী ও তার সহযোগীরা আবারও তার ওপর চাপ দিচ্ছে— চারজন নতুন মেয়েকে চীনে পাঠানোর জন্য। “তাদের ভিসা করা হয়ে গেছে, টিকিটও কাটা হয়েছে। কিন্তু আমি চাই না, আমার মতো আর কোনো মেয়ের জীবন ধ্বংস হোক,” বলেন হেলেনা।

আপনার মতামত লিখুন