বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার আলতাফনগর সরকারি শহীদ এম মনসুর আলী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। জানা গেছে,উপজেলার আলতাফ নগর শহীদ এম মনসুর আলী ডিগ্রি কলেজের নতুন যোগদান কৃত অধ্যক্ষ নাসির আহমেদ (৫৬৫৫)গত ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং- তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশে অধ্যক্ষ(সংযুক্ত) হিসাবে কলেজে যোগদান পর থেকে স্থায়ী ভাবে অত্র কলেজের প্রশাসনিক ভবনের একটি কক্ষে বসবাস করেন। উক্ত প্রশাসনিক ভবনের আরেকটি কক্ষে রান্নাঘর বানিয়ে ব্যবহার করছেন যার ফলে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। তিনি সকল নিয়ম নীতিকে উপেক্ষা করে শিক্ষাঙ্গনে কুলোষিত করছে। কলেজের অধ্যক্ষ নাসির আহমেদের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বাসা ভাড়া বরাদ্দ থাকলেও তিনি অবৈধভাবে কলেজ কক্ষে বসবাস করছেন। এরপর অধ্যক্ষ মাঝে মাঝে ঢাকায়চাকুরিরত তার স্ত্রীকে এনে উক্ত রুমে বসবাস করতেন এবং বিবাহ বার্ষিকী পালন করে সে ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করতেন। এতে কলেজের পরিবেশ নষ্টের পাশাপাশি শিক্ষার মান নিম্নস্তরে নেমে গেছে। তিনি কলেজে যোগদান করার পর চলতি ২০২৫ সালে শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি পরীক্ষার শতকরা ৩০ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে,অথচ ২০২৪ সালে ওই কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার পাশের হার শতকরা ৬৭ ভাগ ছিল।
উল্লেখ্য,গত ৯ নভেম্বর অত্র কলেজের ২০ পিস হাইব্রেঞ্চ ক্রয়ের জন্য মেসার্স রুমান- মাসুম ফার্নিচারের দোকানে নামে ক্যাশ মেমো ও চালানের মাধ্যমে ২৪,০০০/=(চব্বিশ হাজার টাকা)উত্তোলন করলেও অদ্যবদি নতুন হাই ব্রেঞ্চগুলো কলেজে নেই বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে দুপচাঁচিয়ার চৌমুহনী বাজারের গত ১৭ নভেম্বর (সোমবার) মেসার্স রুমান- মাসুম ফার্নিচারের দোকানে গিয়ে দেখা যায়,দোকানটি প্রায় সব সময় বন্ধ থাকে বলে পাশের দোকানদারেরা জানান। ফার্নিচার দোকানের মালিক এর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তৈরিকৃত নতুন হাইব্রেঞ্চ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ নাসির আহমেদ জানান,আমি নতুন যোগদান করেছি,ব্রেঞ্চ সম্পর্কে বলতে পারবে অফিস সহকারি জিল্লুর রহমান। কথা বলি অফিস সহকারী জিল্লুর রহমান এর সঙ্গে তিনি বলেন,
২৪,০০০/=(চব্বিশ হাজার) টাকা উত্তোলন করে হাইব্রেঞ্চ তৈরি করার জন্য রুমান-মাসুম ফার্নিচারের মালিককে দেওয়া হয়েছে কিন্তু ব্রেঞ্চ কলেজে আসেনাই। তাহলে টাকা গেল কোথায়? এটা সম্পূর্ণভাবে নজরদারি বা পর্যবেক্ষণ করার দায়িত্ব কলেজের অধ্যক্ষর। এটা শুধু কলেজ কর্তৃপক্ষের তালবাহনা। এদিকে অধ্যক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম এবং শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্য আচরণ ফলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার অনেক শিক্ষক ও কর্মচারী জানান,অত্র কলেজের অধ্যক্ষ নাসির আহমেদ যোগদানের পর থেকেই শিক্ষকদের মধ্যে দলাদলি সৃষ্টি হয়েছে। কলেজের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির প্রয়োজন বলে অনেকেই মনে করেন।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ নভেম্বর ২০২৫
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার আলতাফনগর সরকারি শহীদ এম মনসুর আলী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। জানা গেছে,উপজেলার আলতাফ নগর শহীদ এম মনসুর আলী ডিগ্রি কলেজের নতুন যোগদান কৃত অধ্যক্ষ নাসির আহমেদ (৫৬৫৫)গত ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং- তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশে অধ্যক্ষ(সংযুক্ত) হিসাবে কলেজে যোগদান পর থেকে স্থায়ী ভাবে অত্র কলেজের প্রশাসনিক ভবনের একটি কক্ষে বসবাস করেন। উক্ত প্রশাসনিক ভবনের আরেকটি কক্ষে রান্নাঘর বানিয়ে ব্যবহার করছেন যার ফলে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। তিনি সকল নিয়ম নীতিকে উপেক্ষা করে শিক্ষাঙ্গনে কুলোষিত করছে। কলেজের অধ্যক্ষ নাসির আহমেদের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বাসা ভাড়া বরাদ্দ থাকলেও তিনি অবৈধভাবে কলেজ কক্ষে বসবাস করছেন। এরপর অধ্যক্ষ মাঝে মাঝে ঢাকায়চাকুরিরত তার স্ত্রীকে এনে উক্ত রুমে বসবাস করতেন এবং বিবাহ বার্ষিকী পালন করে সে ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করতেন। এতে কলেজের পরিবেশ নষ্টের পাশাপাশি শিক্ষার মান নিম্নস্তরে নেমে গেছে। তিনি কলেজে যোগদান করার পর চলতি ২০২৫ সালে শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি পরীক্ষার শতকরা ৩০ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে,অথচ ২০২৪ সালে ওই কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার পাশের হার শতকরা ৬৭ ভাগ ছিল।
উল্লেখ্য,গত ৯ নভেম্বর অত্র কলেজের ২০ পিস হাইব্রেঞ্চ ক্রয়ের জন্য মেসার্স রুমান- মাসুম ফার্নিচারের দোকানে নামে ক্যাশ মেমো ও চালানের মাধ্যমে ২৪,০০০/=(চব্বিশ হাজার টাকা)উত্তোলন করলেও অদ্যবদি নতুন হাই ব্রেঞ্চগুলো কলেজে নেই বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে দুপচাঁচিয়ার চৌমুহনী বাজারের গত ১৭ নভেম্বর (সোমবার) মেসার্স রুমান- মাসুম ফার্নিচারের দোকানে গিয়ে দেখা যায়,দোকানটি প্রায় সব সময় বন্ধ থাকে বলে পাশের দোকানদারেরা জানান। ফার্নিচার দোকানের মালিক এর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তৈরিকৃত নতুন হাইব্রেঞ্চ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ নাসির আহমেদ জানান,আমি নতুন যোগদান করেছি,ব্রেঞ্চ সম্পর্কে বলতে পারবে অফিস সহকারি জিল্লুর রহমান। কথা বলি অফিস সহকারী জিল্লুর রহমান এর সঙ্গে তিনি বলেন,
২৪,০০০/=(চব্বিশ হাজার) টাকা উত্তোলন করে হাইব্রেঞ্চ তৈরি করার জন্য রুমান-মাসুম ফার্নিচারের মালিককে দেওয়া হয়েছে কিন্তু ব্রেঞ্চ কলেজে আসেনাই। তাহলে টাকা গেল কোথায়? এটা সম্পূর্ণভাবে নজরদারি বা পর্যবেক্ষণ করার দায়িত্ব কলেজের অধ্যক্ষর। এটা শুধু কলেজ কর্তৃপক্ষের তালবাহনা। এদিকে অধ্যক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম এবং শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্য আচরণ ফলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার অনেক শিক্ষক ও কর্মচারী জানান,অত্র কলেজের অধ্যক্ষ নাসির আহমেদ যোগদানের পর থেকেই শিক্ষকদের মধ্যে দলাদলি সৃষ্টি হয়েছে। কলেজের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির প্রয়োজন বলে অনেকেই মনে করেন।

আপনার মতামত লিখুন