রাজধানীর উত্তরখানে পৃথক দুটি স্থানে অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও কয়েক কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। একটি ঘটনা ঘটে গভীর রাতে ফার্নিচারের কারখানা ও গোডাউনে, অন্যটি সকালে একটি কাপড়ের গোডাউনে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উত্তরখান মাজারসংলগ্ন শাহ কবীর মাজার সড়কে জামালপুর ভাই ভাই ফার্নিচার দোকান ও গোডাউনে আগুন লাগে। খবর পেয়ে উত্তরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সকাল ৬টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়।
উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. আলম হোসেন বলেন, বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে ছয়টি দোকান, একটি ফার্নিচার কারখানা ও গোডাউন এবং অন্তত ১০টি টিনশেড ঘর পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৩৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এরপর মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে একই থানা এলাকার বালুর মাঠে ওয়ান উম্মা বিডি নামের একটি কাপড়ের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে দুপুর ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় গোডাউনে থাকা প্রায় সব কাপড় পুড়ে গেছে।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই অগ্নিকাণ্ডেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে এতে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার কাপড় পুড়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উত্তরখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, দুটি অগ্নিকাণ্ডেই প্রাণহানি হয়নি। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
রাজধানীর উত্তরখানে পৃথক দুটি স্থানে অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও কয়েক কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। একটি ঘটনা ঘটে গভীর রাতে ফার্নিচারের কারখানা ও গোডাউনে, অন্যটি সকালে একটি কাপড়ের গোডাউনে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উত্তরখান মাজারসংলগ্ন শাহ কবীর মাজার সড়কে জামালপুর ভাই ভাই ফার্নিচার দোকান ও গোডাউনে আগুন লাগে। খবর পেয়ে উত্তরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সকাল ৬টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়।
উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. আলম হোসেন বলেন, বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে ছয়টি দোকান, একটি ফার্নিচার কারখানা ও গোডাউন এবং অন্তত ১০টি টিনশেড ঘর পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৩৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এরপর মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে একই থানা এলাকার বালুর মাঠে ওয়ান উম্মা বিডি নামের একটি কাপড়ের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে দুপুর ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় গোডাউনে থাকা প্রায় সব কাপড় পুড়ে গেছে।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই অগ্নিকাণ্ডেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে এতে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার কাপড় পুড়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উত্তরখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, দুটি অগ্নিকাণ্ডেই প্রাণহানি হয়নি। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন