বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে স্বামীকে খুঁজে পেতে স্ত্রী ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন। শুধু তাই নয়, রবিবার বিকালে তিনি আদমদীঘি থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, প্রায় এক যুগ আগে উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের ইয়ার্ড কলোনীর ফজলুর রহমানের ছেলে কাজলের সাথে বিয়ে হয় একই এলকার সনিয়া নামের এক মেয়ের। তাদের সংসারে এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। বেশ কিছু দিন যাবৎ কাজল তার সাথে খারাপ আচরণ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন। একপর্যায়ে গত ২৪ জানুয়ারী সকাল ১১ টার দিকে তিনি আড়াই লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। তার স্ত্রী সনিয়া সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে লোকমুখে জানতে পারেন- অন্য একটি মেয়েকে নিয়ে তিনি পালিয়ে গেছেন। স্বামীর এমন কর্মকাণ্ডে স্ত্রী সনিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
সনিয়া বলেন, 'আমার স্বামী কাজলের দু'টি ফোন নম্বরে বহু বার যোগাযোগ করেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হচ্ছে না। কখনো ফোন বন্ধ পাচ্ছি আবার কখনো ফোন ঢুকলেও রিসিভ করছেন না। এজন্য নিরূপায় হয়ে থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছি। সেই সাথে কেউ তাকে ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কৃত করবো। আমার ফোন নম্বর ০১৩০৮-২৫৩৬২৬'
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান জানান, এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে স্বামীকে খুঁজে পেতে স্ত্রী ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন। শুধু তাই নয়, রবিবার বিকালে তিনি আদমদীঘি থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, প্রায় এক যুগ আগে উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের ইয়ার্ড কলোনীর ফজলুর রহমানের ছেলে কাজলের সাথে বিয়ে হয় একই এলকার সনিয়া নামের এক মেয়ের। তাদের সংসারে এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। বেশ কিছু দিন যাবৎ কাজল তার সাথে খারাপ আচরণ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন। একপর্যায়ে গত ২৪ জানুয়ারী সকাল ১১ টার দিকে তিনি আড়াই লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। তার স্ত্রী সনিয়া সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে লোকমুখে জানতে পারেন- অন্য একটি মেয়েকে নিয়ে তিনি পালিয়ে গেছেন। স্বামীর এমন কর্মকাণ্ডে স্ত্রী সনিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
সনিয়া বলেন, 'আমার স্বামী কাজলের দু'টি ফোন নম্বরে বহু বার যোগাযোগ করেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হচ্ছে না। কখনো ফোন বন্ধ পাচ্ছি আবার কখনো ফোন ঢুকলেও রিসিভ করছেন না। এজন্য নিরূপায় হয়ে থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছি। সেই সাথে কেউ তাকে ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কৃত করবো। আমার ফোন নম্বর ০১৩০৮-২৫৩৬২৬'
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান জানান, এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন