জয়পুরহাট    বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Daily Joypur Barta

১০০ টাকায় সবজি, দুপচাঁচিয়ায় দিশেহারা ক্রেতারা



১০০ টাকায় সবজি, দুপচাঁচিয়ায় দিশেহারা ক্রেতারা
ছবি প্রতিনিধি:

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় কাঁচাবাজারে সবজির দামে অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। মৌসুমের শেষ সময়, সরবরাহ সংকট এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে অধিকাংশ সবজি কেজিপ্রতি ১০০ টাকার আশপাশে বিক্রি হচ্ছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের ভোগান্তি বেড়েছে বহুগুণ।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সরেজমিনে উপজেলার চৌমুহনী বাজার ঘুরে দেখা যায়, পটল কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা এবং বেগুন মানভেদে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঝিঙা, করলা, শসা ও বরবটি প্রতিকেজি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে।

তুলনামূলক কম দামের সবজির মধ্যে মূলা, টমেটো ও ঢ্যাঁড়স কেজিপ্রতি ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। লাউ প্রতিটি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মশলা জাতীয় পণ্যের মধ্যে পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা এবং আদা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির পাশাপাশি মুরগির বাজারেও অস্থিরতা দেখা গেছে। দেশি মুরগি কেজিপ্রতি ৬৩০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ৩৩০ টাকা এবং ব্রয়লার ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

“গত দুই সপ্তাহ ধরে সবজির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেশি। বেশিরভাগ পণ্যই ১০০ টাকার ঘরে। মুরগির দামও বেড়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষে বাজার করা কঠিন হয়ে পড়েছে।” — সাইদুর রহমান

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে পর্যাপ্ত মনিটরিং না থাকায় বিক্রেতারা ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছেন। তবে বিক্রেতাদের দাবি, মৌসুম শেষ হওয়ায় পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে এবং পরিবহন খরচও বেড়েছে।

স্থানীয় আড়তদারদের মতে, পাইকারি বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাব সরাসরি খুচরা বাজারে পড়ছে, যার ফলে দাম বাড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


১০০ টাকায় সবজি, দুপচাঁচিয়ায় দিশেহারা ক্রেতারা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় কাঁচাবাজারে সবজির দামে অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। মৌসুমের শেষ সময়, সরবরাহ সংকট এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে অধিকাংশ সবজি কেজিপ্রতি ১০০ টাকার আশপাশে বিক্রি হচ্ছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের ভোগান্তি বেড়েছে বহুগুণ।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সরেজমিনে উপজেলার চৌমুহনী বাজার ঘুরে দেখা যায়, পটল কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা এবং বেগুন মানভেদে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঝিঙা, করলা, শসা ও বরবটি প্রতিকেজি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে।

তুলনামূলক কম দামের সবজির মধ্যে মূলা, টমেটো ও ঢ্যাঁড়স কেজিপ্রতি ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। লাউ প্রতিটি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মশলা জাতীয় পণ্যের মধ্যে পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা এবং আদা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির পাশাপাশি মুরগির বাজারেও অস্থিরতা দেখা গেছে। দেশি মুরগি কেজিপ্রতি ৬৩০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ৩৩০ টাকা এবং ব্রয়লার ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

“গত দুই সপ্তাহ ধরে সবজির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেশি। বেশিরভাগ পণ্যই ১০০ টাকার ঘরে। মুরগির দামও বেড়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষে বাজার করা কঠিন হয়ে পড়েছে।” — সাইদুর রহমান

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে পর্যাপ্ত মনিটরিং না থাকায় বিক্রেতারা ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছেন। তবে বিক্রেতাদের দাবি, মৌসুম শেষ হওয়ায় পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে এবং পরিবহন খরচও বেড়েছে।

স্থানীয় আড়তদারদের মতে, পাইকারি বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাব সরাসরি খুচরা বাজারে পড়ছে, যার ফলে দাম বাড়ছে।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত