বগুড়ার আদমদীঘিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ খালের ওপর নির্মিত একটি ব্রিজের দুই পাশে বজ্য আর অবৈধ স্থাপনা তৈরিতে প্রতিনিয়ত সরু হচ্ছে ব্রিজের মুখ। খালে ফেলা ময়লা এবং পানির দুর্গন্ধে মহাসড়কের এই অংশ দিয়ে যাতায়াতকারীদের নাক চেপে পার হতে হচ্ছে।
জানা গেছে, বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের আদমদীঘির পশ্চিম বাজার এলাকায় রামশালা খালের ওপর সওজের নির্মিত ব্রিজের চারদিকে ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক ব্যাগ, বোতল ও হাট-বাজারের বিভিন্ন বর্জ্যে ভরপুর। এরই মধ্যে কুচুরিপানা দখল করে নিয়েছে খালের পানি। কিছু কিছু জায়গায় পানির দেখা মিললেও তা একদম কালচে বর্ণের। আবার খালের অনেক জায়গায় ঘাস-আগাছায় ঢাকা পড়েছে। এছাড়া খালের দু’পাড়ে তো যে যার ইচ্ছে মতো দখলের প্রতিযোগীতায় নেমেছে। কেউ কেউ তো খালের তলদেশ থেকে ইটের পিলার তুলে পাকা ঘর নির্মাণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। অবশ্য মাঝে মাঝে সওজের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হলেও কিছু দিনের মধ্যে আবারও স্থাপনা তৈরি হয়ে যায়।
স্থানিয় বাসিন্দা আহসান হাবীব জানান, হাট-বাজারের বিভিন্ন বর্জ্যে ভরপুর খালটির মুখ যেন মশার প্রজননক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এলাকার পরিবেশ। একে অপরের দেখা দেখি হাট-বাজারের ময়লা-আবর্জনা ফেলার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। বছরজুড়ে ময়লা পরিস্কারের উদ্যোগ নেওয়া না হলেও মাঝে মধ্যে কে বা কারা ব্রিজটির মুখে ফেলা পলিথিন পুড়াতে প্রায়ই আগুন লাগিয়ে দেয়। কিন্তু এতে ব্রিজের ওই অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাসুমা বেগম জানান, ব্রিজ এলাকায় সৃষ্ট সমস্যাগুলো অচিরেই সমাধান করা হবে। এজন্য আদমদীঘি সদর ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
উপজেলার পশ্চিম বাজারের আফজাল হোসেন ও আব্দুল করিম নামের দুই বাসিন্দা জানান, রামশালা খালটি অনেক পুরাতন। একসময় প্রচুর মাছ পাওয়া গেলেও এখন দখল, দূষণের কবলে পড়ায় আর কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারের কাছে আমাদের দাবী- অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং খালটি পুনঃ খনন করা হোক।
বগুড়া সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন পূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়ার আদমদীঘিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ খালের ওপর নির্মিত একটি ব্রিজের দুই পাশে বজ্য আর অবৈধ স্থাপনা তৈরিতে প্রতিনিয়ত সরু হচ্ছে ব্রিজের মুখ। খালে ফেলা ময়লা এবং পানির দুর্গন্ধে মহাসড়কের এই অংশ দিয়ে যাতায়াতকারীদের নাক চেপে পার হতে হচ্ছে।
জানা গেছে, বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের আদমদীঘির পশ্চিম বাজার এলাকায় রামশালা খালের ওপর সওজের নির্মিত ব্রিজের চারদিকে ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক ব্যাগ, বোতল ও হাট-বাজারের বিভিন্ন বর্জ্যে ভরপুর। এরই মধ্যে কুচুরিপানা দখল করে নিয়েছে খালের পানি। কিছু কিছু জায়গায় পানির দেখা মিললেও তা একদম কালচে বর্ণের। আবার খালের অনেক জায়গায় ঘাস-আগাছায় ঢাকা পড়েছে। এছাড়া খালের দু’পাড়ে তো যে যার ইচ্ছে মতো দখলের প্রতিযোগীতায় নেমেছে। কেউ কেউ তো খালের তলদেশ থেকে ইটের পিলার তুলে পাকা ঘর নির্মাণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। অবশ্য মাঝে মাঝে সওজের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হলেও কিছু দিনের মধ্যে আবারও স্থাপনা তৈরি হয়ে যায়।
স্থানিয় বাসিন্দা আহসান হাবীব জানান, হাট-বাজারের বিভিন্ন বর্জ্যে ভরপুর খালটির মুখ যেন মশার প্রজননক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এলাকার পরিবেশ। একে অপরের দেখা দেখি হাট-বাজারের ময়লা-আবর্জনা ফেলার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। বছরজুড়ে ময়লা পরিস্কারের উদ্যোগ নেওয়া না হলেও মাঝে মধ্যে কে বা কারা ব্রিজটির মুখে ফেলা পলিথিন পুড়াতে প্রায়ই আগুন লাগিয়ে দেয়। কিন্তু এতে ব্রিজের ওই অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাসুমা বেগম জানান, ব্রিজ এলাকায় সৃষ্ট সমস্যাগুলো অচিরেই সমাধান করা হবে। এজন্য আদমদীঘি সদর ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
উপজেলার পশ্চিম বাজারের আফজাল হোসেন ও আব্দুল করিম নামের দুই বাসিন্দা জানান, রামশালা খালটি অনেক পুরাতন। একসময় প্রচুর মাছ পাওয়া গেলেও এখন দখল, দূষণের কবলে পড়ায় আর কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারের কাছে আমাদের দাবী- অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং খালটি পুনঃ খনন করা হোক।
বগুড়া সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন পূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন