জয়পুরহাট    শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Daily Joypur Barta

এবার হরমুজে সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান



এবার হরমুজে সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান
সংগৃহীত ছবি

হরমুজ প্রণালিতে নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত হালকা প্রকৃতির সাবমেরিন মোতায়েন করেছে ইরানের নৌবাহিনী। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী এসব সাবমেরিনকে ‘পারস্য উপসাগরের ডলফিন’ বলে উল্লেখ করেছে।

রোববার (১০ মে) ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি এমন মন্তব্য করেছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে মেহর নিউজ এজেন্সি।স্বাস্থ্য পরামর্শ

রিয়ার অ্যাডমিরাল ইরানি জানান, বিদ্যমান হুমকি, সক্ষমতা ও অপারেশনাল প্রয়োজনের ভিত্তিতে ইরানে তৈরি এসব হালকা সাবমেরিনের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে এবং সেগুলো হরমুজ প্রণালির সমুদ্রতলে মোতায়েন করা হয়েছে। এসব সাবমেরিন কৌশলগত এই জলপথে দীর্ঘ সময় সমুদ্রতলে অবস্থান করতে সক্ষম এবং একই সঙ্গে শত্রু জাহাজ শনাক্ত ও ধ্বংস করতে পারে।

নৌবাহিনীর এই কমান্ডারের ভাষ্য অনুযায়ী, নৌ কর্মকর্তারা ও সদস্যরা এসব হালকা সাবমেরিনকে সাধারণত ‘পারস্য উপসাগরের ডলফিন’ নামে ডাকেন।

তিনি আরও বলেন, ডেনা ডেস্ট্রয়ার জাহাজের শহিদদের স্মরণে পরিচালিত এক অভিযানের সময় এসব সাবমেরিন হরমুজ প্রণালিতে পানির ওপরে উঠে আসে যাতে ইরানের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রদর্শন করা যায়।

বিভিন্ন ধরনের কৌশলগত ফরমেশন মহড়া শেষে সাবমেরিনগুলো আবার সমুদ্রের গভীরে ফিরে গিয়ে তাদের নির্ধারিত মিশন চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান শাহরাম ইরানি।

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত কয়েক মাসে বহুবার ইরানের নৌবাহিনী সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন। তবে সাবমেরিন মোতায়েনের মাধ্যমে ট্রাম্পের সেই দাবিকেই যেন নতুন করে চ্যালেঞ্জ করল ইরান।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


এবার হরমুজে সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

হরমুজ প্রণালিতে নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত হালকা প্রকৃতির সাবমেরিন মোতায়েন করেছে ইরানের নৌবাহিনী। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী এসব সাবমেরিনকে ‘পারস্য উপসাগরের ডলফিন’ বলে উল্লেখ করেছে।

রোববার (১০ মে) ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি এমন মন্তব্য করেছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে মেহর নিউজ এজেন্সি।স্বাস্থ্য পরামর্শ

রিয়ার অ্যাডমিরাল ইরানি জানান, বিদ্যমান হুমকি, সক্ষমতা ও অপারেশনাল প্রয়োজনের ভিত্তিতে ইরানে তৈরি এসব হালকা সাবমেরিনের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে এবং সেগুলো হরমুজ প্রণালির সমুদ্রতলে মোতায়েন করা হয়েছে। এসব সাবমেরিন কৌশলগত এই জলপথে দীর্ঘ সময় সমুদ্রতলে অবস্থান করতে সক্ষম এবং একই সঙ্গে শত্রু জাহাজ শনাক্ত ও ধ্বংস করতে পারে।

নৌবাহিনীর এই কমান্ডারের ভাষ্য অনুযায়ী, নৌ কর্মকর্তারা ও সদস্যরা এসব হালকা সাবমেরিনকে সাধারণত ‘পারস্য উপসাগরের ডলফিন’ নামে ডাকেন।

তিনি আরও বলেন, ডেনা ডেস্ট্রয়ার জাহাজের শহিদদের স্মরণে পরিচালিত এক অভিযানের সময় এসব সাবমেরিন হরমুজ প্রণালিতে পানির ওপরে উঠে আসে যাতে ইরানের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রদর্শন করা যায়।

বিভিন্ন ধরনের কৌশলগত ফরমেশন মহড়া শেষে সাবমেরিনগুলো আবার সমুদ্রের গভীরে ফিরে গিয়ে তাদের নির্ধারিত মিশন চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান শাহরাম ইরানি।

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত কয়েক মাসে বহুবার ইরানের নৌবাহিনী সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন। তবে সাবমেরিন মোতায়েনের মাধ্যমে ট্রাম্পের সেই দাবিকেই যেন নতুন করে চ্যালেঞ্জ করল ইরান।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত