নওগাঁর ধামইরহাটে মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও তার প্রতিবাদ করায় পরিবারের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (৫ জুলাই) ধামইরহাট থানার একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত তাকমিম হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জানা যায়, ধামইরহাট থানাধীন জগদল ফারাজিয়া দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার (১৫) নিয়মিত মাদ্রাসায় যাতায়াতের সময় একই এলাকার তাকমিম হোসেন প্রায়ই তাকে একা পেয়ে আপত্তিকর কথাবার্তা বলে যৌন হয়রানি করত।
গত ৪ জুলাই ২০২৬, সকাল আনুমানিক এগারো ঘটিকায় সুমাইয়া মাঠে ছাগল বেঁধে বাড়ি ফেরার পথে একটি মালটা বাগানের নিকট পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা অভিযুক্ত ধামইরহাট ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে তাকমিম হোসেন (২২) তার হাত ধরে জোরপূর্বক বাগানের ভেতরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে শুরু করলে অভিযুক্ত তাকে ছেড়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর মা প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ করে। পরবর্তীতে তাকমিম হোসেন ও তার সঙ্গে থাকা আরও দুইজন ভুক্তভোগীদের বাড়িতে প্রবেশ করে ভুক্তভোগী ছাত্রী, তার মা এবং ছোট ভাইকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে তারা গুরুতর আহত হন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮) ধামইরহাট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থানা পুলিশ প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।
ধামইরহাট থানার ওসি মিন্টু রহমান জানান এ ঘটনায় ধামইরহাট থানায় মামলা রুজু হয়েছে।
ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে বাংলাদেশ পুলিশ দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাটে মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও তার প্রতিবাদ করায় পরিবারের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (৫ জুলাই) ধামইরহাট থানার একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত তাকমিম হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জানা যায়, ধামইরহাট থানাধীন জগদল ফারাজিয়া দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার (১৫) নিয়মিত মাদ্রাসায় যাতায়াতের সময় একই এলাকার তাকমিম হোসেন প্রায়ই তাকে একা পেয়ে আপত্তিকর কথাবার্তা বলে যৌন হয়রানি করত।
গত ৪ জুলাই ২০২৬, সকাল আনুমানিক এগারো ঘটিকায় সুমাইয়া মাঠে ছাগল বেঁধে বাড়ি ফেরার পথে একটি মালটা বাগানের নিকট পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা অভিযুক্ত ধামইরহাট ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে তাকমিম হোসেন (২২) তার হাত ধরে জোরপূর্বক বাগানের ভেতরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে শুরু করলে অভিযুক্ত তাকে ছেড়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর মা প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ করে। পরবর্তীতে তাকমিম হোসেন ও তার সঙ্গে থাকা আরও দুইজন ভুক্তভোগীদের বাড়িতে প্রবেশ করে ভুক্তভোগী ছাত্রী, তার মা এবং ছোট ভাইকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে তারা গুরুতর আহত হন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮) ধামইরহাট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থানা পুলিশ প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।
ধামইরহাট থানার ওসি মিন্টু রহমান জানান এ ঘটনায় ধামইরহাট থানায় মামলা রুজু হয়েছে।
ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে বাংলাদেশ পুলিশ দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন