নওগাঁর পোরশা উপজেলার ঘাটনগর ইউনিয়নের পাহিড়া পুকুর গ্রাম থেকে কুড়ি পুকুর পর্যন্ত সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও পিচ-খোয়া উঠে গিয়ে বর্তমানে এটি যেন এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নজরদারি নেই বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
১৩ জুলাই সোমবার সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রধান গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটির আশেপাশেই উঠেছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। যার মধ্যে রয়েছে: মহিলা কলেজ ও বালিকা বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,কাওমি মাদ্রাস, মহিলা মাদ্রাসা, ও২টি জামে মসজিদ এই কারণেপ্রতিদিন এই অঞ্চলের অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী, শিশু কিশোর এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এই রাস্তাটি ব্যবহার করেই তাদের গন্তব্যে যান। বিশেষ করে বর্ষাকালে বা সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটির গর্তগুলো কাদা-পানিতে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অনেক সময় স্কুল-কলেজে যাওয়ার পথে পিছলে পড়ে গিয়ে বই-খাতা নষ্ট হওয়া এবং দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার ঘটনাও ঘটছে প্রতিনিয়ত।
এ ছাড়া পাশে নোচনাহার আম বাজার হয়াই বিকল্প রাস্তা হিসেবে রাস্তাটি ব্যবহৃত হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে । নোচনাহার বাজার মূলত আম আমদানিতে জ্যাম থাকলে তখন সকল গণপরিবহন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে এবং রাস্তা নষ্ট হয়।
অন্যদিকে ব্যাহত হচ্ছে জরুরি যোগাযোগ ও চিকিৎসা সেবা।কোনো রোগী বা গর্ভবতী নারীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে চাইলে ভাঙা রাস্তার কারণে অ্যাম্বুলেন্স বা কোনো যানবাহন গ্রামে প্রবেশ করতে চায় না।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর পোরশা উপজেলার ঘাটনগর ইউনিয়নের পাহিড়া পুকুর গ্রাম থেকে কুড়ি পুকুর পর্যন্ত সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও পিচ-খোয়া উঠে গিয়ে বর্তমানে এটি যেন এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নজরদারি নেই বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
১৩ জুলাই সোমবার সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রধান গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটির আশেপাশেই উঠেছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। যার মধ্যে রয়েছে: মহিলা কলেজ ও বালিকা বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,কাওমি মাদ্রাস, মহিলা মাদ্রাসা, ও২টি জামে মসজিদ এই কারণেপ্রতিদিন এই অঞ্চলের অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী, শিশু কিশোর এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এই রাস্তাটি ব্যবহার করেই তাদের গন্তব্যে যান। বিশেষ করে বর্ষাকালে বা সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটির গর্তগুলো কাদা-পানিতে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অনেক সময় স্কুল-কলেজে যাওয়ার পথে পিছলে পড়ে গিয়ে বই-খাতা নষ্ট হওয়া এবং দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার ঘটনাও ঘটছে প্রতিনিয়ত।
এ ছাড়া পাশে নোচনাহার আম বাজার হয়াই বিকল্প রাস্তা হিসেবে রাস্তাটি ব্যবহৃত হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে । নোচনাহার বাজার মূলত আম আমদানিতে জ্যাম থাকলে তখন সকল গণপরিবহন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে এবং রাস্তা নষ্ট হয়।
অন্যদিকে ব্যাহত হচ্ছে জরুরি যোগাযোগ ও চিকিৎসা সেবা।কোনো রোগী বা গর্ভবতী নারীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে চাইলে ভাঙা রাস্তার কারণে অ্যাম্বুলেন্স বা কোনো যানবাহন গ্রামে প্রবেশ করতে চায় না।

আপনার মতামত লিখুন