নাটোরের গুরুদাসপুরে জমি বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বায়না বাবদ টাকা নেওয়ার পর জমি রেজিস্ট্রি করে দিতে অস্বীকৃতিসহ ভুক্তভোগীর বাড়িঘর ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী স্বপন চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের কুমারখালী এলাকায় নিজ বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কালু দাস।
কালু দাস অভিযোগ করেন বলেন , গত এক বছর আগে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকায় জমি বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ১ লাখ টাকা অগ্রিম বায়না নেন স্বপন চন্দ্র দাস। এক বছর পর বাকি টাকা নিয়ে জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা থাকলেও এখন তিনি জমি দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী, বাবলু দাস, মাজেম আলীসহ এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
কালু দাস বলেন, নিজের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়টুকু কেনার জন্য তিনি ওই জমিটি নিতে চেয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় সমাধানের চেষ্টা করেছেন। পরে গুরুদাসপুর থানারও দ্বারস্থ হন। তবে কোনো প্রতিকার না পেয়ে বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং তাঁর বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বপন চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
তবে এ বিয়ের স্বপন চন্দ্র দাস কালু দাসের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কালু দাস বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
নাটোরের গুরুদাসপুরে জমি বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বায়না বাবদ টাকা নেওয়ার পর জমি রেজিস্ট্রি করে দিতে অস্বীকৃতিসহ ভুক্তভোগীর বাড়িঘর ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী স্বপন চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের কুমারখালী এলাকায় নিজ বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কালু দাস।
কালু দাস অভিযোগ করেন বলেন , গত এক বছর আগে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকায় জমি বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ১ লাখ টাকা অগ্রিম বায়না নেন স্বপন চন্দ্র দাস। এক বছর পর বাকি টাকা নিয়ে জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা থাকলেও এখন তিনি জমি দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী, বাবলু দাস, মাজেম আলীসহ এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
কালু দাস বলেন, নিজের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়টুকু কেনার জন্য তিনি ওই জমিটি নিতে চেয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় সমাধানের চেষ্টা করেছেন। পরে গুরুদাসপুর থানারও দ্বারস্থ হন। তবে কোনো প্রতিকার না পেয়ে বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং তাঁর বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বপন চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
তবে এ বিয়ের স্বপন চন্দ্র দাস কালু দাসের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কালু দাস বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন