জয়পুরহাট    শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Daily Joypur Barta

পোরশায় দাখিল পরীক্ষায় ৪ মাদ্রাসার ফলাফল শূন্য



পোরশায় দাখিল পরীক্ষায় ৪ মাদ্রাসার ফলাফল শূন্য
ছবি: প্রতিনিধি

নওগাঁর পোরশা উপজেলায় এবারের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে চারটি মাদ্রাসার কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। প্রতিষ্ঠান চারটির ফলাফল শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার কয়েকটি মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করলেও চারটি প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান, শিক্ষকদের উপস্থিতি, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়মিত তদারকি, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস এবং শিক্ষকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে দাখিল পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস না করায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা দরকার।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শুধু পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর নয়, সারা বছর শিক্ষার্থীদের পাঠদানের মান, উপস্থিতি ও পরীক্ষার প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করা হলে এমন ফলাফল এড়ানো সম্ভব।

১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল কবির এর সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল শূন্য হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে বলেন এই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নন এমপিওভুক্ত হওয়ার কারণে তারা নিয়মিত পাঠদান করে না ছাত্র ছাত্রী নিয়মিত স্কুলে আসে না এবং কওমি মাদ্রাসার ছাত্রদের এগুলো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করে পরীক্ষা দেওয়ায়। শিক্ষকেরা গুরুত্ব সহকারে পাঠদানে মনোযোগী নন কারণ তারা সরকারি অনুদান বা বেতন পাচ্ছে না তবে ভবিষ্যতে শিক্ষার মানোন্নয়নে এই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। 

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পোরশায় দাখিল পরীক্ষায় ৪ মাদ্রাসার ফলাফল শূন্য

প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নওগাঁর পোরশা উপজেলায় এবারের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে চারটি মাদ্রাসার কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। প্রতিষ্ঠান চারটির ফলাফল শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার কয়েকটি মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করলেও চারটি প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান, শিক্ষকদের উপস্থিতি, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়মিত তদারকি, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস এবং শিক্ষকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে দাখিল পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস না করায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা দরকার।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শুধু পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর নয়, সারা বছর শিক্ষার্থীদের পাঠদানের মান, উপস্থিতি ও পরীক্ষার প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করা হলে এমন ফলাফল এড়ানো সম্ভব।

১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল কবির এর সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল শূন্য হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে বলেন এই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নন এমপিওভুক্ত হওয়ার কারণে তারা নিয়মিত পাঠদান করে না ছাত্র ছাত্রী নিয়মিত স্কুলে আসে না এবং কওমি মাদ্রাসার ছাত্রদের এগুলো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করে পরীক্ষা দেওয়ায়। শিক্ষকেরা গুরুত্ব সহকারে পাঠদানে মনোযোগী নন কারণ তারা সরকারি অনুদান বা বেতন পাচ্ছে না তবে ভবিষ্যতে শিক্ষার মানোন্নয়নে এই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। 


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত