বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় বাবার বাড়িতে তাসফিয়া খাতুন (১৮) নামে এক বিবাহিতা তরুণী গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার জিয়ানগর ইউনিয়নের বাকপাল গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত তাসফিয়া খাতুন তিন মাস আগে বিয়ে হয়েছে। নিহত তাসফিয়া জিয়ানগর ইউনিয়নের জলঙ্গী গ্রামে রেজাউল ইসলামের ছেলে রিফাতের স্ত্রী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে বাবার বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে তাসফিয়া নিজ শোবার ঘরে বিশ্রামের জন্য যান। বিকেল ৫টার দিকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে স্বজনরা ঘরে গিয়ে আড়ার (তীর) সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাঁর দেহ ঝুলতে দেখেন।
তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে দুপচাঁচিয়া থানা-পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে।
নববধূর আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় বাবার বাড়িতে তাসফিয়া খাতুন (১৮) নামে এক বিবাহিতা তরুণী গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার জিয়ানগর ইউনিয়নের বাকপাল গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত তাসফিয়া খাতুন তিন মাস আগে বিয়ে হয়েছে। নিহত তাসফিয়া জিয়ানগর ইউনিয়নের জলঙ্গী গ্রামে রেজাউল ইসলামের ছেলে রিফাতের স্ত্রী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে বাবার বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে তাসফিয়া নিজ শোবার ঘরে বিশ্রামের জন্য যান। বিকেল ৫টার দিকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে স্বজনরা ঘরে গিয়ে আড়ার (তীর) সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাঁর দেহ ঝুলতে দেখেন।
তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে দুপচাঁচিয়া থানা-পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে।
নববধূর আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন