জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Daily Joypur Barta

ইবির বিশেষায়িত বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতে কালিমা খচিত ফলক স্থাপন



ইবির বিশেষায়িত বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতে কালিমা খচিত ফলক স্থাপন
ছবি- প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটক ও কেন্দ্রীয় মসজিদ ভবনের সামনে কালিমা লেখা সংবলিত স্টিলের ফ্রেম স্থাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এসব ফ্রেম স্থাপন করা হয়। প্রশাসনের এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ইসলামী ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ের পাশাপাশি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশেষায়িত বৈশিষ্ট্য ধারণ করায়, এর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কালিমা খচিত লেখা স্থাপন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী ত্বকী ওয়াসিফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান গেট এবং মসজিদ গেটে কালেমা সম্বলিত স্থাপনা নির্মাণের ব্যাপার টি অবশ্যই ইতিবাচক।যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যের সাথে সমান্তরাল  তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে পবিত্র এই বাক্যের পবিত্রতা রক্ষা। পবিত্র বাক্যের স্থাপনা নির্মাণ করে তার পবিত্রতা যেন রক্ষা পায় এ ব্যাপারে প্রশাসনের সুনজর কামনা করছি।

ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী জুনাইদুল মোস্তফা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেট ও কেন্দ্রীয় মসজিদে কালিমা খচিত মনোগ্রাম স্থাপন নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় ও সাধুবাদযোগ্য উদ্যোগ। তবে মেইন গেটের মনোগ্রামটির নকশা গেটের সামগ্রিক স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হয়নি। গেট অথবা প্রবেশপথ, যেকোনো একটি স্থানে মনোগ্রামটি আরও নান্দনিক, সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পিতভাবে স্থাপন করা হলে তা সবার কাছে আরও দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রকৌশল, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ রয়েছে। তবে এর পাশাপাশি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নেই। 

ইসলামী ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে ১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর শহীদ প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে কুরআন-হাদীসসহ ইসলামী শিক্ষার বিশেষায়িত কিছু বিষয়ে পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্যকে সামনে রেখে প্রধান ফটক ও কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে কালিমা লেখা স্থাপন করা হয়েছে।”


আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ইবির বিশেষায়িত বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতে কালিমা খচিত ফলক স্থাপন

প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটক ও কেন্দ্রীয় মসজিদ ভবনের সামনে কালিমা লেখা সংবলিত স্টিলের ফ্রেম স্থাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এসব ফ্রেম স্থাপন করা হয়। প্রশাসনের এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ইসলামী ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ের পাশাপাশি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশেষায়িত বৈশিষ্ট্য ধারণ করায়, এর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কালিমা খচিত লেখা স্থাপন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী ত্বকী ওয়াসিফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান গেট এবং মসজিদ গেটে কালেমা সম্বলিত স্থাপনা নির্মাণের ব্যাপার টি অবশ্যই ইতিবাচক।যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যের সাথে সমান্তরাল  তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে পবিত্র এই বাক্যের পবিত্রতা রক্ষা। পবিত্র বাক্যের স্থাপনা নির্মাণ করে তার পবিত্রতা যেন রক্ষা পায় এ ব্যাপারে প্রশাসনের সুনজর কামনা করছি।

ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী জুনাইদুল মোস্তফা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেট ও কেন্দ্রীয় মসজিদে কালিমা খচিত মনোগ্রাম স্থাপন নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় ও সাধুবাদযোগ্য উদ্যোগ। তবে মেইন গেটের মনোগ্রামটির নকশা গেটের সামগ্রিক স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হয়নি। গেট অথবা প্রবেশপথ, যেকোনো একটি স্থানে মনোগ্রামটি আরও নান্দনিক, সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পিতভাবে স্থাপন করা হলে তা সবার কাছে আরও দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রকৌশল, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ রয়েছে। তবে এর পাশাপাশি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নেই। 

ইসলামী ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে ১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর শহীদ প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে কুরআন-হাদীসসহ ইসলামী শিক্ষার বিশেষায়িত কিছু বিষয়ে পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্যকে সামনে রেখে প্রধান ফটক ও কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে কালিমা লেখা স্থাপন করা হয়েছে।”



Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত