গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নকে আধুনিক, জনবান্ধব ও বৈষম্যহীন ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আসন্ন কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিলন মিয়া।
ইউনিয়নের প্রত্যন্ত ও চরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও নাগরিক সেবার দুর্ভোগ কমানোর পাশাপাশি যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মিলন মিয়া কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার রাস্তা-ঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, নাগরিক সেবা এবং চরাঞ্চলের মানুষের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে আগামী নির্বাচনে ভোটারদের সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
মিলন মিয়ার পরিকল্পনায় ইউনিয়নের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের চলাচল সহজ করতে প্রয়োজনীয় রাস্তা সংস্কার ও উন্নয়ন, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কালভার্ট নির্মাণ এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন। এতে কৃষিপণ্য পরিবহনসহ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের দুর্ভোগ কমবে বলে তিনি মনে করেন।
চরাঞ্চলকে উন্নয়নের মূলধারায় আনার প্রত্যয় কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার নানা সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর মতে, দুর্গম যোগাযোগের কারণে চরাঞ্চলের মানুষ অনেক সময় শিক্ষা, চিকিৎসা ও সরকারি নাগরিক সেবা পেতে বাড়তি ভোগান্তির মুখে পড়েন।
মিলন মিয়া বলেন, “কঞ্চিপাড়ার উন্নয়ন বলতে শুধু একটি-দুটি এলাকার উন্নয়ন বোঝালে হবে না। #ইউনিয়নের মূল ভূখণ্ডের পাশাপাশি চরাঞ্চলের মানুষকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। কোনো নাগরিক যেন এলাকার কারণে পিছিয়ে না থাকেন—এমন একটি ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলতে চাই।”
যুবসমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ ইউনিয়নের তরুণদের নিয়ে আলাদা পরিকল্পনার কথাও জানান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিলন মিয়া। তাঁর মতে, যুবসমাজকে সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।
বিভিন্ন এলাকায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন, তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের পুরস্কৃত করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য, তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী করার মাধ্যমে একটি সুস্থ সামাজিক পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখা সম্ভব।
‘সেবা হবে মানুষের দোরগোড়ায়’মিলন মিয়া আরও বলেন, একটি আধুনিক ইউনিয়ন পরিষদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সাধারণ মানুষের সেবা সহজ করা। ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিকরা যেন হয়রানি ছাড়া প্রয়োজনীয় সেবা পান এবং প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কথাও যেন সমান গুরুত্ব পায়—এমন পরিবেশ তৈরির প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, “মানুষের ভোটে দায়িত্ব পেলে কঞ্চিপাড়াকে এমন একটি ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যেখানে উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে। চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টকে নিজের এলাকার কষ্ট হিসেবেই দেখতে চাই।”

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নকে আধুনিক, জনবান্ধব ও বৈষম্যহীন ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আসন্ন কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিলন মিয়া।
ইউনিয়নের প্রত্যন্ত ও চরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও নাগরিক সেবার দুর্ভোগ কমানোর পাশাপাশি যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মিলন মিয়া কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার রাস্তা-ঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, নাগরিক সেবা এবং চরাঞ্চলের মানুষের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে আগামী নির্বাচনে ভোটারদের সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
মিলন মিয়ার পরিকল্পনায় ইউনিয়নের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের চলাচল সহজ করতে প্রয়োজনীয় রাস্তা সংস্কার ও উন্নয়ন, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কালভার্ট নির্মাণ এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন। এতে কৃষিপণ্য পরিবহনসহ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের দুর্ভোগ কমবে বলে তিনি মনে করেন।
চরাঞ্চলকে উন্নয়নের মূলধারায় আনার প্রত্যয় কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার নানা সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর মতে, দুর্গম যোগাযোগের কারণে চরাঞ্চলের মানুষ অনেক সময় শিক্ষা, চিকিৎসা ও সরকারি নাগরিক সেবা পেতে বাড়তি ভোগান্তির মুখে পড়েন।
মিলন মিয়া বলেন, “কঞ্চিপাড়ার উন্নয়ন বলতে শুধু একটি-দুটি এলাকার উন্নয়ন বোঝালে হবে না। #ইউনিয়নের মূল ভূখণ্ডের পাশাপাশি চরাঞ্চলের মানুষকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। কোনো নাগরিক যেন এলাকার কারণে পিছিয়ে না থাকেন—এমন একটি ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলতে চাই।”
যুবসমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ ইউনিয়নের তরুণদের নিয়ে আলাদা পরিকল্পনার কথাও জানান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিলন মিয়া। তাঁর মতে, যুবসমাজকে সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।
বিভিন্ন এলাকায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন, তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের পুরস্কৃত করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য, তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী করার মাধ্যমে একটি সুস্থ সামাজিক পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখা সম্ভব।
‘সেবা হবে মানুষের দোরগোড়ায়’মিলন মিয়া আরও বলেন, একটি আধুনিক ইউনিয়ন পরিষদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সাধারণ মানুষের সেবা সহজ করা। ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিকরা যেন হয়রানি ছাড়া প্রয়োজনীয় সেবা পান এবং প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কথাও যেন সমান গুরুত্ব পায়—এমন পরিবেশ তৈরির প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, “মানুষের ভোটে দায়িত্ব পেলে কঞ্চিপাড়াকে এমন একটি ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যেখানে উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে। চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টকে নিজের এলাকার কষ্ট হিসেবেই দেখতে চাই।”

আপনার মতামত লিখুন