নওগাঁয় কহিনুর বেগম ওরফে ফাহিমা হত্যা মামলায় সোহেল রানা ওরফে হানিফকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন অতিরিক্ত দায়রা জজ-২, নওগাঁ আদালতের বিচারক রাজু আহমেদ।
মামলার বিবরণ এবং আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে কহিনুর বেগমের স্বামী ব্যবসায়িক কাজে বাড়ির বাইরে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে একা ছিলেন কহিনুর।
পূর্বপরিচিত ও পারিবারিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়ায় সোহেল রানার ওই বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ঘটনার দিন এই সুযোগে তিনি বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে ড্রিল মেশিন দিয়ে কহিনুরের মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করেন। এরপর নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যান।
পরে বাড়ির ভেতর গুরুতর আহত অবস্থায় কহিনুরকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনের করা মামলায় তদন্ত শেষে সোহেল রানাকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন নওগাঁর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট মাহফুজ আলম খান।
অ্যাডভোকেট মাহফুজ আলম খান বলেন, মামলার বিচারকাজে সাক্ষীদের সাক্ষ্য, চিকিৎসা প্রতিবেদন, আসামির সঙ্গে নিহতের পূর্বপরিচয় এবং ঘটনার সময়ের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিসহ উপস্থাপিত বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করেন আদালত।
এসব প্রমাণে সোহেল রানার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আনা হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, আদালত সোহেল রানা ওরফে হানিফকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ডের টাকা আদায় হলে তা মামলার এজাহারকারীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত আসামিকে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁয় কহিনুর বেগম ওরফে ফাহিমা হত্যা মামলায় সোহেল রানা ওরফে হানিফকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন অতিরিক্ত দায়রা জজ-২, নওগাঁ আদালতের বিচারক রাজু আহমেদ।
মামলার বিবরণ এবং আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে কহিনুর বেগমের স্বামী ব্যবসায়িক কাজে বাড়ির বাইরে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে একা ছিলেন কহিনুর।
পূর্বপরিচিত ও পারিবারিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়ায় সোহেল রানার ওই বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ঘটনার দিন এই সুযোগে তিনি বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে ড্রিল মেশিন দিয়ে কহিনুরের মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করেন। এরপর নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যান।
পরে বাড়ির ভেতর গুরুতর আহত অবস্থায় কহিনুরকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনের করা মামলায় তদন্ত শেষে সোহেল রানাকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন নওগাঁর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট মাহফুজ আলম খান।
অ্যাডভোকেট মাহফুজ আলম খান বলেন, মামলার বিচারকাজে সাক্ষীদের সাক্ষ্য, চিকিৎসা প্রতিবেদন, আসামির সঙ্গে নিহতের পূর্বপরিচয় এবং ঘটনার সময়ের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিসহ উপস্থাপিত বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করেন আদালত।
এসব প্রমাণে সোহেল রানার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আনা হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, আদালত সোহেল রানা ওরফে হানিফকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ডের টাকা আদায় হলে তা মামলার এজাহারকারীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত আসামিকে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন