জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের দক্ষিণ রামভদ্রপুর ও কুটাহাড়া এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে WIN CEREX সিরাপসহ দুইজনকে আটক করেছে বিজিবি, এসআরবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি)-এর তিনটি টহলদল,এসআরবি এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জয়পুরহাটের একটি টহলদল যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দক্ষিণ রামভদ্রপুর এলাকার মোঃ আব্দুর রহিম (৩৫) ও কুটাহাড়া এলাকার রাব্বি হাসান (৩২) কে আটক করা হয়।
আটক আব্দুর রহিম দক্ষিণ রামভদ্রপুর গ্রামের মোঃ মোশারফ হোসেনের ছেলে এবং রাব্বি হাসান কুটাহাড়া গ্রামের মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে WIN CEREX সিরাপের ৬ বোতল লুজ ও ১ হাজার ৬০০ মিলিলিটার সিরাপ জব্দ করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
আটক দুই ব্যক্তি ও জব্দকৃত মাদকদ্রব্য পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বিজিবি জানান, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদকদ্রব্য, মানব পাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছে বিজিবি।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের দক্ষিণ রামভদ্রপুর ও কুটাহাড়া এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে WIN CEREX সিরাপসহ দুইজনকে আটক করেছে বিজিবি, এসআরবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি)-এর তিনটি টহলদল,এসআরবি এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জয়পুরহাটের একটি টহলদল যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দক্ষিণ রামভদ্রপুর এলাকার মোঃ আব্দুর রহিম (৩৫) ও কুটাহাড়া এলাকার রাব্বি হাসান (৩২) কে আটক করা হয়।
আটক আব্দুর রহিম দক্ষিণ রামভদ্রপুর গ্রামের মোঃ মোশারফ হোসেনের ছেলে এবং রাব্বি হাসান কুটাহাড়া গ্রামের মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে WIN CEREX সিরাপের ৬ বোতল লুজ ও ১ হাজার ৬০০ মিলিলিটার সিরাপ জব্দ করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
আটক দুই ব্যক্তি ও জব্দকৃত মাদকদ্রব্য পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বিজিবি জানান, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদকদ্রব্য, মানব পাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছে বিজিবি।

আপনার মতামত লিখুন