ঢাকার আশুলিয়ায় সোলার কারখানায় কাজের অর্ডার দেওয়ার পর কাজের অগ্রগতি দেখতে গিয়ে এক ব্যবসায়ী ও তাঁর স্বজনের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন। তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় তাঁদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন অভিযোগকারী।
এ ঘটনায় মো. আলতাফ হোসেন (৪৩) আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে ১০ থেকে ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন মোহাম্মদুল রহমান (৫০), মো. কবির হোসেন শিশির (৪৫), মো. মোখলেছুল হোসেন (৪০), মো. জালাল (৪২) ও মো. নাঈম (২৮)। অভিযোগে বাকি ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় অজ্ঞাত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আলতাফ হোসেন আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজীরচট এলাকার রশিদ মার্কেট রোডে অবস্থিত একটি সোলার কারখানায় পণ্য তৈরির কাজ করান।
তাঁর দাবি, কারখানাটিতে প্রায় সাত হাজার পিস সোলার-সংশ্লিষ্ট পণ্য তৈরির অর্ডার দিয়েছিলেন তিনি। এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৪০ লাখ টাকা। কাজের অগ্রগতি দেখতে গত ২২ অক্টোবর ২০২৬ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি তাঁর স্বজন জিয়াউল প্রামাণিককে সঙ্গে নিয়ে কারখানায় যান।
অভিযোগে বলা হয়, কারখানায় পৌঁছানোর পর ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি লাঠি, সোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে আলতাফ হোসেন ও জিয়াউল প্রামাণিক আহত হন। তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। অভিযোগ অনুযায়ী, জিয়াউল প্রামাণিকের মাথায় আঘাত করা হয় এবং তাঁর হাতেও জখম হয়।
এ সময় তাঁদের মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করা হয়, এতে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন আলতাফ হোসেন। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আলতাফ হোসেন জানান, ঘটনার পর তাঁরা চিকিৎসা নেন। পরে স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগে নাম উল্লেখ করা ব্যক্তিদের বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে সংযোজন করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকার আশুলিয়ায় সোলার কারখানায় কাজের অর্ডার দেওয়ার পর কাজের অগ্রগতি দেখতে গিয়ে এক ব্যবসায়ী ও তাঁর স্বজনের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন। তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় তাঁদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন অভিযোগকারী।
এ ঘটনায় মো. আলতাফ হোসেন (৪৩) আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে ১০ থেকে ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন মোহাম্মদুল রহমান (৫০), মো. কবির হোসেন শিশির (৪৫), মো. মোখলেছুল হোসেন (৪০), মো. জালাল (৪২) ও মো. নাঈম (২৮)। অভিযোগে বাকি ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় অজ্ঞাত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আলতাফ হোসেন আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজীরচট এলাকার রশিদ মার্কেট রোডে অবস্থিত একটি সোলার কারখানায় পণ্য তৈরির কাজ করান।
তাঁর দাবি, কারখানাটিতে প্রায় সাত হাজার পিস সোলার-সংশ্লিষ্ট পণ্য তৈরির অর্ডার দিয়েছিলেন তিনি। এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৪০ লাখ টাকা। কাজের অগ্রগতি দেখতে গত ২২ অক্টোবর ২০২৬ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি তাঁর স্বজন জিয়াউল প্রামাণিককে সঙ্গে নিয়ে কারখানায় যান।
অভিযোগে বলা হয়, কারখানায় পৌঁছানোর পর ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি লাঠি, সোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে আলতাফ হোসেন ও জিয়াউল প্রামাণিক আহত হন। তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। অভিযোগ অনুযায়ী, জিয়াউল প্রামাণিকের মাথায় আঘাত করা হয় এবং তাঁর হাতেও জখম হয়।
এ সময় তাঁদের মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করা হয়, এতে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন আলতাফ হোসেন। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আলতাফ হোসেন জানান, ঘটনার পর তাঁরা চিকিৎসা নেন। পরে স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগে নাম উল্লেখ করা ব্যক্তিদের বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে সংযোজন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন