দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর সৎকারে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন ডা. সাধন চৌধুরীর স্ত্রী হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কাজল চন্দ্র মহন্ত। প্রায় আট বছর পর প্যারোলে মুক্ত হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পুলিশের পাহারায় ফুলবাড়ী মহাশ্মশানে উপস্থিত হয়ে মায়ের সৎকারে অংশ নেন তিনি।
কাজল চন্দ্র মহন্ত ফুলবাড়ী উপজেলার কাঁটাবাড়ী গ্রামের মৃত কার্তিক চন্দ্র মহন্ত ও রিনা রানী মহন্তের একমাত্র ছেলে। বুধবার সকালে অসুস্থতাজনিত কারণে তাঁর মা রিনা রানী মহন্ত মারা যান। মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার জন্য আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্যারোলে মুক্তি পান কাজল।
পরে পুলিশের কঠোর পাহারায় ফুলবাড়ী মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করে মায়ের সৎকার সম্পন্ন করেন তিনি। সৎকার শেষে আবারও পুলিশের পাহারায় তাঁকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
দীর্ঘ প্রায় আট বছর পর প্যারোলে মুক্ত হয়ে মায়ের সৎকারে অংশ নিতে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁকে একনজর দেখতে মহাশ্মশানে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দা ও আত্মীয়স্বজনেরা। এ সময় ফুলবাড়ী পৌরসভার সাবেক মেয়র মাহমুদ আলম লিটনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার এই ঘটনায় শ্মশানে উপস্থিত স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সৎকার শেষে কাজলকে পুনরায় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর সৎকারে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন ডা. সাধন চৌধুরীর স্ত্রী হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কাজল চন্দ্র মহন্ত। প্রায় আট বছর পর প্যারোলে মুক্ত হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পুলিশের পাহারায় ফুলবাড়ী মহাশ্মশানে উপস্থিত হয়ে মায়ের সৎকারে অংশ নেন তিনি।
কাজল চন্দ্র মহন্ত ফুলবাড়ী উপজেলার কাঁটাবাড়ী গ্রামের মৃত কার্তিক চন্দ্র মহন্ত ও রিনা রানী মহন্তের একমাত্র ছেলে। বুধবার সকালে অসুস্থতাজনিত কারণে তাঁর মা রিনা রানী মহন্ত মারা যান। মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার জন্য আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্যারোলে মুক্তি পান কাজল।
পরে পুলিশের কঠোর পাহারায় ফুলবাড়ী মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করে মায়ের সৎকার সম্পন্ন করেন তিনি। সৎকার শেষে আবারও পুলিশের পাহারায় তাঁকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
দীর্ঘ প্রায় আট বছর পর প্যারোলে মুক্ত হয়ে মায়ের সৎকারে অংশ নিতে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁকে একনজর দেখতে মহাশ্মশানে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দা ও আত্মীয়স্বজনেরা। এ সময় ফুলবাড়ী পৌরসভার সাবেক মেয়র মাহমুদ আলম লিটনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার এই ঘটনায় শ্মশানে উপস্থিত স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সৎকার শেষে কাজলকে পুনরায় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন