জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ৩নং আয়মারসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মামুনুর রশিদ মিল্টনের বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গ, ৩ লক্ষ টাকা জামানত ও আদায়কৃত নগদ ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা আত্মসাৎ, এবং ইউনিয়ন পরিষদ কক্ষে জিম্মি করে মারধরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ‘সূর্যমুখী যুব উন্নয়ন সংস্থা’-এর সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়, হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সংস্থাটি দুই দফায় ৩ লক্ষ টাকা জামানত প্রদান করে। গত ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আদায়কৃত ১,১০,০০০ টাকা চেয়ারম্যানের লোকজন জোরপূর্বক কেড়ে নেয়।
পরবর্তীতে ৭ অক্টোবর হিসাব ও চুক্তিপত্র ফেরত চাইতে গেলে পরিষদের নিচতলায় তাদের অবরুদ্ধ করে মারধর করা হয় এবং বলপূর্বক ফাঁকা কাগজে স্বাক্ষর ও ভিডিও ধারণ করা হয়। এছাড়া ট্যাক্স আদায়ের জন্য সরবরাহকৃত রশিদগুলো নিবন্ধনহীন ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
সর্বমোট ৪,৩২,০০০ টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন ইউপি সদস্য সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন। ভুক্তভোগী এ বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত আইনানুগ হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে মুঠো ফোনে চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি ।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ৩নং আয়মারসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মামুনুর রশিদ মিল্টনের বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গ, ৩ লক্ষ টাকা জামানত ও আদায়কৃত নগদ ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা আত্মসাৎ, এবং ইউনিয়ন পরিষদ কক্ষে জিম্মি করে মারধরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ‘সূর্যমুখী যুব উন্নয়ন সংস্থা’-এর সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়, হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সংস্থাটি দুই দফায় ৩ লক্ষ টাকা জামানত প্রদান করে। গত ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আদায়কৃত ১,১০,০০০ টাকা চেয়ারম্যানের লোকজন জোরপূর্বক কেড়ে নেয়।
পরবর্তীতে ৭ অক্টোবর হিসাব ও চুক্তিপত্র ফেরত চাইতে গেলে পরিষদের নিচতলায় তাদের অবরুদ্ধ করে মারধর করা হয় এবং বলপূর্বক ফাঁকা কাগজে স্বাক্ষর ও ভিডিও ধারণ করা হয়। এছাড়া ট্যাক্স আদায়ের জন্য সরবরাহকৃত রশিদগুলো নিবন্ধনহীন ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
সর্বমোট ৪,৩২,০০০ টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন ইউপি সদস্য সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন। ভুক্তভোগী এ বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত আইনানুগ হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে মুঠো ফোনে চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি ।

আপনার মতামত লিখুন