অবশেষে নওগাঁবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো। ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকেই নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।প্রাথমিকভাবে আইন ও বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধীনে দুটি বিভাগে পাঠদান শুরু হবে।
ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই অনুমোদন প্রদান করা হয়। পত্রে উল্লেখ করা হয়, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।
আইন–২০২৩ অনুযায়ী ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকেই আইন অনুষদের অধীন আইন বিভাগ এবং বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধীন হিসাববিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
প্রতি শিক্ষাবর্ষে স্নাতক পর্যায়ে প্রতিটি বিভাগে সর্বোচ্চ ৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিভাগের কারিকুলাম প্রণয়ন করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত বই ও জার্নাল সংরক্ষণ, ভবনে জরুরি নির্গমন ব্যবস্থা, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা এবং বিশুদ্ধ খাবার পানির সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
দুটি বিষয়ে একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে নওগাঁবাসীর বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলী বলেন, এই প্রত্যাশা পূরণে গত এক বছর ধরে নিরলসভাবে কাজ করেছি। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করেছি। উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন নওগাঁবাসীর কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আজ তা বাস্তবায়িত হওয়ায় মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট শুকরিয়া আদায় করছি।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের প্রাচীন দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত নওগাঁর পাহাড়পুরের গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। স্বাধীনতা-উত্তরকালে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে সেই হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল নওগাঁ।
এ সময় উপাচার্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তর, ইউজিসি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম চালুর পেছনে অবদান রাখা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে থেকে এই প্রতিষ্ঠানকে একটি উৎকৃষ্ট জ্ঞান, শিক্ষা ও গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই। এ ক্ষেত্রে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
অবশেষে নওগাঁবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো। ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকেই নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।প্রাথমিকভাবে আইন ও বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধীনে দুটি বিভাগে পাঠদান শুরু হবে।
ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই অনুমোদন প্রদান করা হয়। পত্রে উল্লেখ করা হয়, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।
আইন–২০২৩ অনুযায়ী ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকেই আইন অনুষদের অধীন আইন বিভাগ এবং বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধীন হিসাববিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
প্রতি শিক্ষাবর্ষে স্নাতক পর্যায়ে প্রতিটি বিভাগে সর্বোচ্চ ৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিভাগের কারিকুলাম প্রণয়ন করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত বই ও জার্নাল সংরক্ষণ, ভবনে জরুরি নির্গমন ব্যবস্থা, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা এবং বিশুদ্ধ খাবার পানির সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
দুটি বিষয়ে একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে নওগাঁবাসীর বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলী বলেন, এই প্রত্যাশা পূরণে গত এক বছর ধরে নিরলসভাবে কাজ করেছি। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করেছি। উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন নওগাঁবাসীর কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আজ তা বাস্তবায়িত হওয়ায় মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট শুকরিয়া আদায় করছি।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের প্রাচীন দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত নওগাঁর পাহাড়পুরের গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। স্বাধীনতা-উত্তরকালে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে সেই হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল নওগাঁ।
এ সময় উপাচার্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তর, ইউজিসি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম চালুর পেছনে অবদান রাখা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে থেকে এই প্রতিষ্ঠানকে একটি উৎকৃষ্ট জ্ঞান, শিক্ষা ও গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই। এ ক্ষেত্রে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

আপনার মতামত লিখুন