কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ নুরসাত জাহান লিজা এর বিরুদ্ধে সায়েম ফার্মেসীতে ভুল চিকিৎসায় ৯ মাস বয়সী এক কন্যা শিশুর অবস্থা শঙ্কটাপন্ন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংকটাপন্ন অবস্থায় ওই শিশুকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ বিষয়টি ভাইরাল হয়েছে বলে জানা গেছে।
শিশুটির স্বজনরা জানান, ৯ মাস বয়সী ফারিণের(৯মাস) মাথায় সামান্য ফোলার চিকিৎসার জন্য সায়েম ফার্মেসীতে ডাঃ নুরসাত জাহান লিজা কে দেখান। পরবর্তীতে ডাঃ নুরসাত জাহান লিজা নিশ্চিত না হয়ে এবসেস (ফোঁড়া) সন্দেহে অপারেশন করার পরামর্শ দেন এবং তিনি করে দিবেন বলে জানান।
সে অনুযায়ী ফোঁড়ার অপারেশন করার প্রয়াসে প্রায় বেশ কিছুক্ষণ তাঁর (রোগীর) এই কোমল মাথায় সুঁই দিয়ে গুতাতে থাকে এবং অপারেশনের জন্য লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া লিডোকেইন ভুলবশত রোগীর শিরায় চালিয়ে দেন, যার অবশ্যম্ভাবী ফলশ্রুতিতে তৎক্ষনাৎ রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে, চোখ -মুখ বন্ধ হয়ে তীব্র খিঁচুনি চলে আসে।
এমতাবস্থায় রোগীর এই গুরুতর অবস্থা দেখে ডাক্তার লিজা বাচ্চা শিশুটিকে কোলে নিয়ে দৌড় দিয়ে অক্সিজেন দেওয়ার জন্য ন্যাশনাল ডায়াগনোসিসে নিয়ে যান। অক্সিজেন দেওয়ার পরও রোগীর অবস্থা স্বাভাবিক না হলে, সেখান থেকে কুতুবদিয়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গিয়ে কৌশলে চট্টগ্রামে রেফার করে দেন।
এই প্রতিবেদন তৈরী করার আগপর্যন্ত বাচ্চা শিশুটির অবস্থা এখনোও সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে।
এবিষয়ে ডাঃ নুরসাত জাহান লিজা, ফার্মেসীতে অপারেশনের কথা স্বীকার করে বলেন, খিঁচুনি দেখা দেওয়ায় চট্টগ্রামে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ নুরসাত জাহান লিজা এর বিরুদ্ধে সায়েম ফার্মেসীতে ভুল চিকিৎসায় ৯ মাস বয়সী এক কন্যা শিশুর অবস্থা শঙ্কটাপন্ন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংকটাপন্ন অবস্থায় ওই শিশুকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ বিষয়টি ভাইরাল হয়েছে বলে জানা গেছে।
শিশুটির স্বজনরা জানান, ৯ মাস বয়সী ফারিণের(৯মাস) মাথায় সামান্য ফোলার চিকিৎসার জন্য সায়েম ফার্মেসীতে ডাঃ নুরসাত জাহান লিজা কে দেখান। পরবর্তীতে ডাঃ নুরসাত জাহান লিজা নিশ্চিত না হয়ে এবসেস (ফোঁড়া) সন্দেহে অপারেশন করার পরামর্শ দেন এবং তিনি করে দিবেন বলে জানান।
সে অনুযায়ী ফোঁড়ার অপারেশন করার প্রয়াসে প্রায় বেশ কিছুক্ষণ তাঁর (রোগীর) এই কোমল মাথায় সুঁই দিয়ে গুতাতে থাকে এবং অপারেশনের জন্য লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া লিডোকেইন ভুলবশত রোগীর শিরায় চালিয়ে দেন, যার অবশ্যম্ভাবী ফলশ্রুতিতে তৎক্ষনাৎ রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে, চোখ -মুখ বন্ধ হয়ে তীব্র খিঁচুনি চলে আসে।
এমতাবস্থায় রোগীর এই গুরুতর অবস্থা দেখে ডাক্তার লিজা বাচ্চা শিশুটিকে কোলে নিয়ে দৌড় দিয়ে অক্সিজেন দেওয়ার জন্য ন্যাশনাল ডায়াগনোসিসে নিয়ে যান। অক্সিজেন দেওয়ার পরও রোগীর অবস্থা স্বাভাবিক না হলে, সেখান থেকে কুতুবদিয়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গিয়ে কৌশলে চট্টগ্রামে রেফার করে দেন।
এই প্রতিবেদন তৈরী করার আগপর্যন্ত বাচ্চা শিশুটির অবস্থা এখনোও সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে।
এবিষয়ে ডাঃ নুরসাত জাহান লিজা, ফার্মেসীতে অপারেশনের কথা স্বীকার করে বলেন, খিঁচুনি দেখা দেওয়ায় চট্টগ্রামে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন