দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্তে বিএসএফ সদস্যদের বিরুদ্ধে মারধরের পর দুই ভারতীয় নাগরিককে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে বিজিবির টহল দল তাদের উদ্ধার করে শূন্যরেখা দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠায়।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) এর অধীনস্থ জলপাইতলী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৩০৩/৫-এস এর কাছে এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, প্রতিপক্ষ ৫৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের শিবতলা ক্যাম্পের সদস্যরা ভারতীয় নাগরিক সুলতানা বেগম (৩৬) ও তার মেয়ে মোছা. আলীয়া খাতুনকে মারধর করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জোরপূর্বক পাঠিয়ে দেয়।
সুলতানা বেগমের স্বামীর নাম মুহিন ইসলাম। তাদের বাড়ি ভারতের আজমীর জেলার দারোগা বাজার থানার আন্দার কোট এলাকায়।
খবর পেয়ে বিজিবির একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের শনাক্ত করে।
পরে মানবিক ও আইনগত বিষয় বিবেচনায় তাদের শূন্যরেখা দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠানো হয়।বিজিবি আরও জানায়, সুলতানা বেগম ও তার মেয়ে মুসলিম ধর্মাবলম্বী এবং তারা হিন্দি ভাষায় কথা বলেন।
তাদের কাছে ভারতীয় পরিচয়পত্র হিসেবে আধার কার্ড ও রেশন কার্ড পাওয়া গেছে, যা তাদের ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ বহন করে। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্তে বিএসএফ সদস্যদের বিরুদ্ধে মারধরের পর দুই ভারতীয় নাগরিককে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে বিজিবির টহল দল তাদের উদ্ধার করে শূন্যরেখা দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠায়।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) এর অধীনস্থ জলপাইতলী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৩০৩/৫-এস এর কাছে এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, প্রতিপক্ষ ৫৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের শিবতলা ক্যাম্পের সদস্যরা ভারতীয় নাগরিক সুলতানা বেগম (৩৬) ও তার মেয়ে মোছা. আলীয়া খাতুনকে মারধর করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জোরপূর্বক পাঠিয়ে দেয়।
সুলতানা বেগমের স্বামীর নাম মুহিন ইসলাম। তাদের বাড়ি ভারতের আজমীর জেলার দারোগা বাজার থানার আন্দার কোট এলাকায়।
খবর পেয়ে বিজিবির একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের শনাক্ত করে।
পরে মানবিক ও আইনগত বিষয় বিবেচনায় তাদের শূন্যরেখা দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠানো হয়।বিজিবি আরও জানায়, সুলতানা বেগম ও তার মেয়ে মুসলিম ধর্মাবলম্বী এবং তারা হিন্দি ভাষায় কথা বলেন।
তাদের কাছে ভারতীয় পরিচয়পত্র হিসেবে আধার কার্ড ও রেশন কার্ড পাওয়া গেছে, যা তাদের ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ বহন করে। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন