আজ বৃহস্পতিবার ৮ই অক্টোবর বগুড়ার কাহালুতে দুই শিশুকে ধর্ষণের দায়ে মো.নুর ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে পৃথক দুটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
বগুড়ার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মারুফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নুর ইসলাম কাহালু উপজেলার আড়োলা (আবাসন) গ্রামের মৃত হবিবর রহমানের ছেলে।
মামলার এজাহার ও আদালতের রায় সূত্রে জানা যায়, কাহালু থানার মামলা নম্বর-১০, তারিখ ১৫ মার্চ ২০২৫ এবং জিআর নম্বর-৩৫/২০১৮ (কাহালু) মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী-২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় নুর ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
রায়ের বিবরণ অনুযায়ী, ৬ বছর বয়সী মোছা. মরিয়ম খাতুনকে ধর্ষণের দায়ে নুর ইসলামকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় ৭ বছর বয়সী মোছা. রিয়া মুনিকে ধর্ষণের দায়েও তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, দুই অপরাধে দেওয়া কারাদণ্ড ধারাবাহিকভাবে কার্যকর হবে। অর্থাৎ, একটি সাজা ভোগের পর অপর সাজা কার্যকর হবে। এছাড়া আদায় করা অর্থদণ্ডের টাকা দুই শিশুর মাকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালত থেকে জারি করা সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে দণ্ডপ্রাপ্ত নুর ইসলামকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানোর কথা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
আজ বৃহস্পতিবার ৮ই অক্টোবর বগুড়ার কাহালুতে দুই শিশুকে ধর্ষণের দায়ে মো.নুর ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে পৃথক দুটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
বগুড়ার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মারুফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নুর ইসলাম কাহালু উপজেলার আড়োলা (আবাসন) গ্রামের মৃত হবিবর রহমানের ছেলে।
মামলার এজাহার ও আদালতের রায় সূত্রে জানা যায়, কাহালু থানার মামলা নম্বর-১০, তারিখ ১৫ মার্চ ২০২৫ এবং জিআর নম্বর-৩৫/২০১৮ (কাহালু) মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী-২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় নুর ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
রায়ের বিবরণ অনুযায়ী, ৬ বছর বয়সী মোছা. মরিয়ম খাতুনকে ধর্ষণের দায়ে নুর ইসলামকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় ৭ বছর বয়সী মোছা. রিয়া মুনিকে ধর্ষণের দায়েও তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, দুই অপরাধে দেওয়া কারাদণ্ড ধারাবাহিকভাবে কার্যকর হবে। অর্থাৎ, একটি সাজা ভোগের পর অপর সাজা কার্যকর হবে। এছাড়া আদায় করা অর্থদণ্ডের টাকা দুই শিশুর মাকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালত থেকে জারি করা সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে দণ্ডপ্রাপ্ত নুর ইসলামকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানোর কথা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন