যাদের ক্ষুধা আছে, তাদের খাবার নেই, আর যাদের খাবার আছে,তাদের ক্ষুধা নেই, এটাই বাস্তব এবং চিরন্তন সত্য। উপজেলার ৯ নং দামোদরপুর ইউনিয়নের মোস্তাপুর বকশি পাড়া এলাকার মৃত মফিজ মিয়ার ছেলে শামসুল আলম।
শামসুল আলম জন্মগত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হওয়ার পরেও, ৫০ বছর বয়সেও ভাড়ায় চালিত রিক্সা নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে সংসার। তার স্ত্রীও জন্মগত শারীরিক প্রতিবন্ধী পারভিন বেগম এখনো সরকারি অনুদান পায়না।
ভুক্তভোগী শামসুল আলম বলেন- আমার দুটি সন্তান ছিল, তার মধ্যে একটি সন্তান ২৫ বছর বয়সে অসুস্থ হয়ে মারা গেছে, আর একটি সন্তান রয়েছে তার বয়স পাঁচ বছর নাম আব্দুল্লাহ।
ভুক্তভোগী পরিবেশ প্রতিবেদককে আরও বলেন- গত কয়েক মাস আগে তার নিজের একটি মোটা চাকার চার্জার ভ্যান ছিল, উক্ত ভ্যানটি বদরগঞ্জ থেকে সৈয়দপুর যাওয়ার পথে তাকে অজ্ঞান করে নিয়ে গেছে। বর্তমানে ১৮০ টাকা ভাড়া দিয়ে রিক্সা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অনেক কষ্টের মধ্যে রয়েছেন এবং মানবেতর জীবন যাপন করছেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর কাছে জানা যায়, যেদিন ভ্যান চালাতে পারে না, সেদিন তার বাড়িতে খাবার ও জোটে না, তাই সরকারি ও বেসরকারিভাবে এই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, শারীরিক প্রতিবন্ধী পরিবারকে সাহায্যে করার জন্য এলাকাবাসী আবেদন জানিয়েছেন।
৯ নং দামোদরপুর ইউ'পি চেয়ারম্যান - শেখ আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন - শামসুল ইসলামের স্ত্রী শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায়,পরিষদ থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা করে দেওয়া হবে এবং সরকারি অনুদান ও দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
যাদের ক্ষুধা আছে, তাদের খাবার নেই, আর যাদের খাবার আছে,তাদের ক্ষুধা নেই, এটাই বাস্তব এবং চিরন্তন সত্য। উপজেলার ৯ নং দামোদরপুর ইউনিয়নের মোস্তাপুর বকশি পাড়া এলাকার মৃত মফিজ মিয়ার ছেলে শামসুল আলম।
শামসুল আলম জন্মগত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হওয়ার পরেও, ৫০ বছর বয়সেও ভাড়ায় চালিত রিক্সা নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে সংসার। তার স্ত্রীও জন্মগত শারীরিক প্রতিবন্ধী পারভিন বেগম এখনো সরকারি অনুদান পায়না।
ভুক্তভোগী শামসুল আলম বলেন- আমার দুটি সন্তান ছিল, তার মধ্যে একটি সন্তান ২৫ বছর বয়সে অসুস্থ হয়ে মারা গেছে, আর একটি সন্তান রয়েছে তার বয়স পাঁচ বছর নাম আব্দুল্লাহ।
ভুক্তভোগী পরিবেশ প্রতিবেদককে আরও বলেন- গত কয়েক মাস আগে তার নিজের একটি মোটা চাকার চার্জার ভ্যান ছিল, উক্ত ভ্যানটি বদরগঞ্জ থেকে সৈয়দপুর যাওয়ার পথে তাকে অজ্ঞান করে নিয়ে গেছে। বর্তমানে ১৮০ টাকা ভাড়া দিয়ে রিক্সা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অনেক কষ্টের মধ্যে রয়েছেন এবং মানবেতর জীবন যাপন করছেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর কাছে জানা যায়, যেদিন ভ্যান চালাতে পারে না, সেদিন তার বাড়িতে খাবার ও জোটে না, তাই সরকারি ও বেসরকারিভাবে এই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, শারীরিক প্রতিবন্ধী পরিবারকে সাহায্যে করার জন্য এলাকাবাসী আবেদন জানিয়েছেন।
৯ নং দামোদরপুর ইউ'পি চেয়ারম্যান - শেখ আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন - শামসুল ইসলামের স্ত্রী শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায়,পরিষদ থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা করে দেওয়া হবে এবং সরকারি অনুদান ও দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন