জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
Daily Joypur Barta

ভাঙা বাঁশের সাঁকোয় দুর্ভোগে ৮ গ্রামের মানুষ,ঝুঁকি নিয়ে পারাপার



ভাঙা বাঁশের সাঁকোয় দুর্ভোগে ৮ গ্রামের মানুষ,ঝুঁকি নিয়ে পারাপার
ছবি : প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বারোমাসিয়া (বাণিদাহ) নদীর ওপর নির্মিত প্রায় ৩০০ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকোর অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দুই পাড়ের অন্তত আট গ্রামের হাজারো মানুষ। 

প্রায় দুই থেকে তিন মাস ধরে সাঁকোটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকলেও সংস্কারের উদ্যোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে কেউ বুকসমান পানি মাড়িয়ে, কেউ সাঁতরে আবার কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্করা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী পারাপারের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিনই চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাঁদের। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে বাজারে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সাঁকোটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকালে সরেজমিনে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী এলাকায় নবিউলের ঘাট নামে পরিচিত বারোমাসিয়া (বাণিদাহ) নদীতে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৩০০ ফুট লম্বা বাঁশের সাঁকোটির দক্ষিণ পাশের মাঝামাঝি প্রায় ১৫০ ফুট দুরত্বের অংশ ভেঙে গেছে। 

ফলে সাঁকোটি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাচলের কোনো সুযোগ নেই। কেউ বুকসমান পানিতে হেঁটে নদী পার হচ্ছেন, কেউ সাঁতরে অপর পাড়ে যাচ্ছেন। আবার কেউ ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা অংশের ওপর দিয়ে পারাপারের চেষ্টা করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় চার দশক ধরে এ নদী পারাপারে ছোট ছোট ডিঙি ও মাঝারি নৌকা ব্যবহার করতেন দুই পাড়ের মানুষ। করিমের ঘাট ও নবিউলের ঘাট নামে পরিচিত স্থানে ইজারাদারের মাধ্যমে নৌকায় পারাপার হতেন তাঁরা। 

পরবর্তী সময়ে নদীর প্রশস্ততা কমে আসায় দুই পাড়ের বাসিন্দাদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে প্রায় দেড় যুগ ধরে এ সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করে আসছেন।

প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমের আগে স্থানীয় উদ্যোগে সাঁকোটি মেরামত করা হতো। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার না করায় বাঁশের পাটাতন ও কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুই থেকে তিন মাস আগে সাঁকোটির কয়েকটি স্থানে বড় বড় অংশ ভেঙে যায়। এরপর থেকেই ওই এলাকার হাজারো মানুষের দুর্ভোগের শুরু।

সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী, চরগোরকমন্ডল, ঝাউকুটি, পশ্চিম ফুলমতি, নাওডাঙ্গা ও শিমুলবাড়ী এলাকার হকবাজারসহ পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের চরখারুয়া ও খারুয়া গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মিনতি রানী মাথায় বাদামের বোঝা নিয়ে বুকসমান পানি মাড়িয়ে নদী পার হচ্ছিলেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘খালি ছবি তোলেন বাহে। দুই-তিন মাস ধরে এত কষ্ট করে নদী পারাপার হচ্ছি, কিন্তু কেউ আমাদের খোঁজ নিতে আসেননি। 

ছেলেমেয়েদেরও অনেক কষ্ট করে নদী পার হয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে। আমরা আর এ দুর্ভোগ সহ্য করতে পারছি না। দ্রুত সাঁকোটি মেরামত করা হোক।

স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী আকাশ মাহমুদ ও কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, এ পথ দিয়ে আমাদের এলাকার হাজারো মানুষ নিয়মিত নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বালারহাট বাজারে যাতায়াত করেন। 

এ ছাড়া এলাকার দেড় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী নাওডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বালারহাট আদর্শ স্কুল, বিভিন্ন মাদ্রাসা ও ফুলবাড়ী কলেজে পড়াশোনা করে। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় তাদের প্রতিদিন অনেক কষ্ট করে নদী পার হতে হচ্ছে। দ্রুত সাঁকোটি মেরামত না করলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায়ও সমস্যা হবে।

বিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী সুমন মিয়া, শাকিব ও সবুজ মিয়া এবং কলেজশিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম, আব্দুল জব্বার ও মঈনুদ্দিন জানায়, ‘সাঁকোটির অবস্থা দেখতেই পাচ্ছেন। স্কুল-কলেজে যেতে আমাদের খুব কষ্ট হয়। বিকল্প কোনো রাস্তা নেই। 

কখনো সাঁতরে, আবার কখনো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সাঁকো পার হতে হয়। পারাপারের সময় অনেকেই পড়ে গেছেন। বড়রাও দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। এভাবে আর কত দিন চলতে হবে, তা জানি না। আমরা দ্রুত সাঁকোটি মেরামতের দাবি জানাচ্ছি।’

নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও স্থানীয় মৎস্য খামারি আতাউর রহমান রতন বলেন, বারোমাসিয়া (বাণিদাহ) নদীর ওপর এই সাঁকোটি দুই পাড়ের হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা। 

দুই-তিন মাস আগে সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হচ্ছে। অনেকে বুকসমান পানিতে নেমে পারাপার করছেন। আমরা দ্রুত সাঁকোটি মেরামত অথবা টেকসইভাবে নতুন একটি সাঁকো নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।’

নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাছেন আলী জানান, ভেঙে যাওয়া সাঁকোটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়েছে। এটি নির্মাণ করা হলে দুই পাড়ের হাজারো মানুষের দুর্ভোগ দূর হবে। জনস্বার্থে দ্রুত সাঁকোটি পুনর্নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জাহিদ হাসান জানান, সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সেখানে একটি টেকসই বাঁশের সাঁকো নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬


ভাঙা বাঁশের সাঁকোয় দুর্ভোগে ৮ গ্রামের মানুষ,ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বারোমাসিয়া (বাণিদাহ) নদীর ওপর নির্মিত প্রায় ৩০০ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকোর অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দুই পাড়ের অন্তত আট গ্রামের হাজারো মানুষ। 

প্রায় দুই থেকে তিন মাস ধরে সাঁকোটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকলেও সংস্কারের উদ্যোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে কেউ বুকসমান পানি মাড়িয়ে, কেউ সাঁতরে আবার কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্করা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী পারাপারের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিনই চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাঁদের। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে বাজারে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সাঁকোটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকালে সরেজমিনে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী এলাকায় নবিউলের ঘাট নামে পরিচিত বারোমাসিয়া (বাণিদাহ) নদীতে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৩০০ ফুট লম্বা বাঁশের সাঁকোটির দক্ষিণ পাশের মাঝামাঝি প্রায় ১৫০ ফুট দুরত্বের অংশ ভেঙে গেছে। 

ফলে সাঁকোটি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাচলের কোনো সুযোগ নেই। কেউ বুকসমান পানিতে হেঁটে নদী পার হচ্ছেন, কেউ সাঁতরে অপর পাড়ে যাচ্ছেন। আবার কেউ ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা অংশের ওপর দিয়ে পারাপারের চেষ্টা করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় চার দশক ধরে এ নদী পারাপারে ছোট ছোট ডিঙি ও মাঝারি নৌকা ব্যবহার করতেন দুই পাড়ের মানুষ। করিমের ঘাট ও নবিউলের ঘাট নামে পরিচিত স্থানে ইজারাদারের মাধ্যমে নৌকায় পারাপার হতেন তাঁরা। 

পরবর্তী সময়ে নদীর প্রশস্ততা কমে আসায় দুই পাড়ের বাসিন্দাদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে প্রায় দেড় যুগ ধরে এ সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করে আসছেন।

প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমের আগে স্থানীয় উদ্যোগে সাঁকোটি মেরামত করা হতো। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার না করায় বাঁশের পাটাতন ও কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুই থেকে তিন মাস আগে সাঁকোটির কয়েকটি স্থানে বড় বড় অংশ ভেঙে যায়। এরপর থেকেই ওই এলাকার হাজারো মানুষের দুর্ভোগের শুরু।

সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী, চরগোরকমন্ডল, ঝাউকুটি, পশ্চিম ফুলমতি, নাওডাঙ্গা ও শিমুলবাড়ী এলাকার হকবাজারসহ পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের চরখারুয়া ও খারুয়া গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মিনতি রানী মাথায় বাদামের বোঝা নিয়ে বুকসমান পানি মাড়িয়ে নদী পার হচ্ছিলেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘খালি ছবি তোলেন বাহে। দুই-তিন মাস ধরে এত কষ্ট করে নদী পারাপার হচ্ছি, কিন্তু কেউ আমাদের খোঁজ নিতে আসেননি। 

ছেলেমেয়েদেরও অনেক কষ্ট করে নদী পার হয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে। আমরা আর এ দুর্ভোগ সহ্য করতে পারছি না। দ্রুত সাঁকোটি মেরামত করা হোক।

স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী আকাশ মাহমুদ ও কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, এ পথ দিয়ে আমাদের এলাকার হাজারো মানুষ নিয়মিত নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বালারহাট বাজারে যাতায়াত করেন। 

এ ছাড়া এলাকার দেড় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী নাওডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বালারহাট আদর্শ স্কুল, বিভিন্ন মাদ্রাসা ও ফুলবাড়ী কলেজে পড়াশোনা করে। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় তাদের প্রতিদিন অনেক কষ্ট করে নদী পার হতে হচ্ছে। দ্রুত সাঁকোটি মেরামত না করলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায়ও সমস্যা হবে।

বিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী সুমন মিয়া, শাকিব ও সবুজ মিয়া এবং কলেজশিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম, আব্দুল জব্বার ও মঈনুদ্দিন জানায়, ‘সাঁকোটির অবস্থা দেখতেই পাচ্ছেন। স্কুল-কলেজে যেতে আমাদের খুব কষ্ট হয়। বিকল্প কোনো রাস্তা নেই। 

কখনো সাঁতরে, আবার কখনো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সাঁকো পার হতে হয়। পারাপারের সময় অনেকেই পড়ে গেছেন। বড়রাও দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। এভাবে আর কত দিন চলতে হবে, তা জানি না। আমরা দ্রুত সাঁকোটি মেরামতের দাবি জানাচ্ছি।’

নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও স্থানীয় মৎস্য খামারি আতাউর রহমান রতন বলেন, বারোমাসিয়া (বাণিদাহ) নদীর ওপর এই সাঁকোটি দুই পাড়ের হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা। 

দুই-তিন মাস আগে সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হচ্ছে। অনেকে বুকসমান পানিতে নেমে পারাপার করছেন। আমরা দ্রুত সাঁকোটি মেরামত অথবা টেকসইভাবে নতুন একটি সাঁকো নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।’

নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাছেন আলী জানান, ভেঙে যাওয়া সাঁকোটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়েছে। এটি নির্মাণ করা হলে দুই পাড়ের হাজারো মানুষের দুর্ভোগ দূর হবে। জনস্বার্থে দ্রুত সাঁকোটি পুনর্নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জাহিদ হাসান জানান, সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সেখানে একটি টেকসই বাঁশের সাঁকো নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত