জয়পুরহাট    শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
Daily Joypur Barta

হিলি-জয়পুরহাট সড়ক প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের চেক নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ



হিলি-জয়পুরহাট সড়ক প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের চেক নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ
ছবি : প্রতিনিধি

দিনাজপুরের হাকিমপুরে হিলি-জয়পুরহাট সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের ৭৬ লাখ ৩৯ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর নিয়ে অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। 

প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত দাবি করে মো. আসামান আলী নামের এক ব্যক্তি ওই চেকের অর্থ ছাড় বন্ধসহ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে হাকিমপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

আসামান আলী জানান, হিলি বাসুদেবপুর মৌজায় সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণ করা জমির ছয় শতক তিনি ২০২০ সালে দলিলমূলে ক্রয় করেন। সেখানে নিজ অর্থায়নে স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। 

পরবর্তী সময়ে জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার যাচাই-বাছাই শেষে স্থাপনার ক্ষতিপূরণ বাবদ তাঁর নামে ৭৬ লাখ ৩৯ হাজার ৯৬৬ টাকা ৫৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।

তাঁর অভিযোগ, শুনানিতে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র ও সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করার পরও কোনো লিখিত আদেশ না জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ওই টাকার চেক অন্য জমির মালিক মোবারক হোসেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ছাড়া ক্ষতিপূরণের টাকা ছাড় করানোর জন্য ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সার্ভেয়ার জিয়া তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং কয়েক দফায় ৭০ হাজার টাকা নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আসামান আলী আগামী রোববার (৮ নভেম্বর) ব্যাংক খোলার সঙ্গে সঙ্গে ওই চেকের অর্থ উত্তোলন বন্ধ, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে তাঁর পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুদক ও বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। 

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


হিলি-জয়পুরহাট সড়ক প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের চেক নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

দিনাজপুরের হাকিমপুরে হিলি-জয়পুরহাট সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের ৭৬ লাখ ৩৯ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর নিয়ে অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। 

প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত দাবি করে মো. আসামান আলী নামের এক ব্যক্তি ওই চেকের অর্থ ছাড় বন্ধসহ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে হাকিমপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

আসামান আলী জানান, হিলি বাসুদেবপুর মৌজায় সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণ করা জমির ছয় শতক তিনি ২০২০ সালে দলিলমূলে ক্রয় করেন। সেখানে নিজ অর্থায়নে স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। 

পরবর্তী সময়ে জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার যাচাই-বাছাই শেষে স্থাপনার ক্ষতিপূরণ বাবদ তাঁর নামে ৭৬ লাখ ৩৯ হাজার ৯৬৬ টাকা ৫৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।

তাঁর অভিযোগ, শুনানিতে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র ও সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করার পরও কোনো লিখিত আদেশ না জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ওই টাকার চেক অন্য জমির মালিক মোবারক হোসেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ছাড়া ক্ষতিপূরণের টাকা ছাড় করানোর জন্য ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সার্ভেয়ার জিয়া তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং কয়েক দফায় ৭০ হাজার টাকা নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আসামান আলী আগামী রোববার (৮ নভেম্বর) ব্যাংক খোলার সঙ্গে সঙ্গে ওই চেকের অর্থ উত্তোলন বন্ধ, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে তাঁর পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুদক ও বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। 


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত