স্থানীয় নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা চূড়ান্তের পাশাপাশি সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের তালিকা চলতি মাসে চূড়ান্তের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্বাচনকে ঘিরে প্রয়োজনীয় অন্য প্রস্তুতিও নেওয়া শুরু হয়েছে। অক্টোবরের মধ্যে ভোটকেন্দ্রিক সব কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শেষে নভেম্বরে ভোট করার পরিকল্পনা করছে ইসি।
আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সূচি রয়েছে ইসির। নতুন রাষ্ট্রপতিকে ইসির কার্যক্রমের বিষয়ে অবহিত করা হবে।
নভেম্বর থেকে এপ্রিল- এ ছয় মাসকে স্থানীয় নির্বাচনের উপযুক্ত সময় বিবেচনায় নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর ভোটের দিনক্ষণ নির্ধারণ করবে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি।
আগামী মাসে আইন সংশোধন ও নির্বাচন পরিচালনা বিধি সংশোধন শেষে নভেম্বরের শুরুতেই ভোটের দিণক্ষণ রাখার পরিকল্পনার কথা বলেছেন একজন নির্বাচন কমিশনার।
ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা ও সিটি করপোরেশনের নতুন আচরণবিধিতে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা বিধি ও আইন সংশোধনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে আইজিপি ও বিজিবি মহাপরিচালক নির্বাচন ভবনে গিয়ে সবশেষ অগ্রগতি জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মঙ্গলবার বলেছেন, আগামী সপ্তাহে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ইসির সঙ্গে আলোচনা করবেন। ইউনিয়ন পরিষদের ভোট দিয়ে স্থানীয় নির্বাচনের ধাপ শুরু করতে পারে ইসি। ৪০-৪৫ দিন সময় রেখে তফসিল দেওয়ার আলোচনা চলছে। তবে পৌরসভা করার বিষয়েও আলোচনা রয়েছে। কমিশন সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ভোটের দায়িত্বে থাকা পুলিশ, বিজিবি, আনসারের প্রস্তুতির পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষক, প্রতিষ্ঠানের প্রস্তুতির বিষয় রয়েছে। তাদের প্রস্তুতি শেষ হলেই নির্বাচন কমিশনের ভোটের দিণক্ষণ ঠিক করার কাজ করবে। “সিইসির সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। শিগগির কমিশনের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বৈঠক হবে।” পাঁচ বছর মেয়াদী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সবগুলোই এখন ভোটের উপযোগী। আর স্থানীয় সরকারের চার স্তরের ভোট শেষে পরোক্ষ ভোটে জেলা পরিষদের নির্বাচন হবে।
সবশেষ ইউপি ভোট হয়েছে ২০২১ সালের এপ্রিল, নভেম্বর, ডিসেম্বর এবং ২০২২ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে সাত ধাপে। সাড়ে চার হাজার ইউপি নির্বাচন উপযোগী রয়েছে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
স্থানীয় নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা চূড়ান্তের পাশাপাশি সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের তালিকা চলতি মাসে চূড়ান্তের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্বাচনকে ঘিরে প্রয়োজনীয় অন্য প্রস্তুতিও নেওয়া শুরু হয়েছে। অক্টোবরের মধ্যে ভোটকেন্দ্রিক সব কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শেষে নভেম্বরে ভোট করার পরিকল্পনা করছে ইসি।
আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সূচি রয়েছে ইসির। নতুন রাষ্ট্রপতিকে ইসির কার্যক্রমের বিষয়ে অবহিত করা হবে।
নভেম্বর থেকে এপ্রিল- এ ছয় মাসকে স্থানীয় নির্বাচনের উপযুক্ত সময় বিবেচনায় নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর ভোটের দিনক্ষণ নির্ধারণ করবে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি।
আগামী মাসে আইন সংশোধন ও নির্বাচন পরিচালনা বিধি সংশোধন শেষে নভেম্বরের শুরুতেই ভোটের দিণক্ষণ রাখার পরিকল্পনার কথা বলেছেন একজন নির্বাচন কমিশনার।
ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা ও সিটি করপোরেশনের নতুন আচরণবিধিতে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা বিধি ও আইন সংশোধনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে আইজিপি ও বিজিবি মহাপরিচালক নির্বাচন ভবনে গিয়ে সবশেষ অগ্রগতি জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মঙ্গলবার বলেছেন, আগামী সপ্তাহে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ইসির সঙ্গে আলোচনা করবেন। ইউনিয়ন পরিষদের ভোট দিয়ে স্থানীয় নির্বাচনের ধাপ শুরু করতে পারে ইসি। ৪০-৪৫ দিন সময় রেখে তফসিল দেওয়ার আলোচনা চলছে। তবে পৌরসভা করার বিষয়েও আলোচনা রয়েছে। কমিশন সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ভোটের দায়িত্বে থাকা পুলিশ, বিজিবি, আনসারের প্রস্তুতির পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষক, প্রতিষ্ঠানের প্রস্তুতির বিষয় রয়েছে। তাদের প্রস্তুতি শেষ হলেই নির্বাচন কমিশনের ভোটের দিণক্ষণ ঠিক করার কাজ করবে। “সিইসির সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। শিগগির কমিশনের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বৈঠক হবে।” পাঁচ বছর মেয়াদী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সবগুলোই এখন ভোটের উপযোগী। আর স্থানীয় সরকারের চার স্তরের ভোট শেষে পরোক্ষ ভোটে জেলা পরিষদের নির্বাচন হবে।
সবশেষ ইউপি ভোট হয়েছে ২০২১ সালের এপ্রিল, নভেম্বর, ডিসেম্বর এবং ২০২২ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে সাত ধাপে। সাড়ে চার হাজার ইউপি নির্বাচন উপযোগী রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন